1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

অর্থমন্ত্রী: ঋণাত্মক অর্থনীতি সেরে উঠতে লাগবে অন্তত দুই বছর

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে ঋণাত্মক অবস্থায় আছে এবং সেটি পুনরুদ্ধার করতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। তিনি অভিযোগ করেন, আগের বিভিন্ন সরকার দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে রেখে গিয়েছিল, যার প্রভাব কাটাতে বর্তমান সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

মন্ত্রী এসব কথা বলেন আজ শনিবার (১৬ মে) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে মা ও শিশু হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে। তিনি জানান, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছে, তার সবচেয়ে তীব্র প্রভাব পড়েছে জ্বালানি খাতে। ওই প্রভাব মোকাবিলায় আগামী অর্থবছরে জ্বালানিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় ধরা পড়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় ও বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গত দুই মাসে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে হয়েছে। এসব মিলিয়ে দেশের জাতীয় অর্থনীতি এখনো চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে তা পুনরুদ্ধার করতে সময় লাগবে।

স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থের বড় অংশ অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে অপচয় হয়েছে। বর্তমান সরকার শুধু বরাদ্দ বাড়াবেই না, বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না—তাও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয় এবং পেশাদারিত্ব ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই সরকার এসব প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ রাখবে, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের গুণমান ও স্বচ্ছতা রক্ষা করবে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মান নষ্ট হলে শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো দেশে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি যোগ্যতা ছাড়া কাউকে ভর্তি না করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় ভর্তি হলে শিক্ষার মানই নষ্ট হয়। মেডিক্যাল শিক্ষার মান রক্ষার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সঠিক অনুপাত, পর্যাপ্ত ফ্যাকাল্টি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকা জরুরি; এসব প্রস্তুতি ছাড়া আসনসংখ্যা বাড়ানো উচিত নয়।

রাজ্য পরিচালিত হাসপাতালে সীমাবদ্ধতার ফলে দরিদ্র রোগীরা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—এ সমস্যা কাটাতে সরকার বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক পরিষেবা চালু করবে এবং রোগীরা সেখানে চিকিৎসা নিলে বিল সরকার বহন করবে, জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের সংকটের কারণে দেশে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কাজে লাগছে না; এজন্য দক্ষ জনবল তৈরি ও একটি সমন্বিত মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আনা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও ক্রীড়া-সামাজিক সুযোগ সৃষ্টি করা হবে যেন তারা বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ পায়।

অবশেষে মন্ত্রী মনে করেয়ান, সরকার সকলে মিলিয়ে জাতীয় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করে তুলতে কাজ করছে; তা সেরে উঠতে সময় লাগবে, তবে সঠিক নীতি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ধাপে ধাপে উন্নতি সম্ভব।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo