1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ট্রাম্পের সতর্কতার মধ্যেই তাইওয়ান বলল: ‘আমরা স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র’

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যভাবে বলেছে, দ্বীপটি একটি সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীনে নয়। এ বক্তব্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনের অনুসারে শনিবার (১৬ মে)।

ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা এসেছিল বেইজিং সফর শেষ করে ফেরার আগে—শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকে শি জিনপিং ট্রাম্পকে তাইওয়ানকে সমর্থন না করতে অনুরোধ করেন এবং সান্ত্বনা দেন যে ভুল পদক্ষেপ ‘সংঘাত’ ডেকে আনতে পারে।

ফক্স নিউজের অনুষ্ঠানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না কেউ (তাইওয়ান) স্বাধীনতা ঘোষণা করুক। আর ৯ হাজার ৫০০ মাইল দূরে গিয়ে যুদ্ধ করতেও আমি আগ্রহী নই।’ বৈঠকের আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে তিনি তাইওয়ানের জন্য মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন—যা মার্কিন পরম্পরাগত বিবৃতির থেকে ভিন্ন শৈলী ছিল, কারণ আগে ওয়াশিংটন বলেছে তারা এই ধরনের অনুশীলনে বেইজিংয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে না।

যুক্তরাষ্ট্র কেবল বেইজিং সরকারকেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না; তবু অতীতে ওয়াশিংটন স্পষ্টভাবে স্বাধীনতার প্রতিও সরাসরি বিরোধী প্রতিধ্বনি রাখেনি। মার্কিন আইনে তাইওয়ানের আত্ম-রক্ষার জন্য অস্ত্র সরবরাহের বাধ্যবাধকতা রয়েছে—যাকে সাধারণত ‘টাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ হিসেবে বোঝা হয়—তবে সংঘাতের ক্ষেত্রে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করা হবে কি না, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বহুদিন ধরে কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রেখেছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে নিজে ইতোমধ্যেই দ্বীপকে স্বাধীন বলে মনে করেন এবং তাই আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন অনুভব করেন না বলে দর্শানো হয়েছে। এরপরও তাইওয়ানের সংসদ সম্প্রতি ২৫ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করেছে, যার বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র কেনায় ব্যয় করা হবে। ওই প্রেক্ষাপটে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ শুধু ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অংশ না হয়ে আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থারও অংশ।

চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এসেছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে এটি নিয়ন্ত্রণে নেবার হুমকি জারি করেছে; সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিং দ্বীপটির ওপর সামরিক চাপও বাড়িয়েছে। ট্রাম্প-শি বৈঠক ও সেই বৈঠকের আগের মন্তব্যগুলোই তাইওয়ান ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যেখানে প্রতিটি পক্ষই নিজের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo