1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

২৮ ব্যাংকের ক্ষতির ঘটনায় দায়ী ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পিছনে ছয় ব্যক্তি ও কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর দায় রয়েছে। প্রতিবেদনে নাম উঠে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন ও নাসা গ্রুপসহ কিছু বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও গোষ্ঠীর।

রিপোর্ট অনুযায়ী এসব গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের অনুকূল পলিসি ও অস্বাভাবিক ছাড়ের কারণে ব্যাংকগুলোর বিপুল পরিমাণ ঋণ চাপ পরেছে এবং অনেক টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক যেমন জনতা ও অগ্রণীর পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকগুলো—এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আল-আরাফাহসহ বেসরকারি ইউসিবি, আইএফআইসি ও ন্যাশনাল ব্যাংকও এ ঘটনায় প্রভাবিত হয়েছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, শুধুমাত্র অর্থ ফেরত জোগাড় করলেই সমস্যা মিটবে না; দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনি আওতায় নিয়ে আসাও জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে অনুরূপ কুপ্রভাব রোধ করা যায়।

বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বলেছেন, ঋণ নীতিমালা স্পষ্ট—কারা কত ঋণ নেবে, কত সময়ের জন্য নেবে তা সবই নিয়মে আছে। যদি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনে‑শুনেই বড় গোষ্ঠীগুলোকে ছাড় দিয়েছে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও তার দায়িত্ব স্বীকার করতে হবে এবং নীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেই সময় বিভিন্ন বাইরের চাপ ও কিছু ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চস্তরের নির্দেশনার প্রভাব থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত সুবিধা দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এসব ইস্যুতে কিছু এক্সটারনাল ফোর্সেস কাজ করেছে এবং কখনও‑কখনও রেগুলেটর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকেরও এসময় এগুলো উপেক্ষা করার ক্ষমতা ছিল না।

তবে খাত সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন যে, দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর বিচার না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাংকিং খাতের প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে। এজন্য দ্রুতভাবে যাচাই‑বাছাই, দায়ীদের আইনি প্রক্রিয়ায় আনা এবং হারানো অর্থ ফেরত আনার পূর্ণাঙ্গ উদ্যোগের দাবি তোলা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দ্রুততা বজায় রাখা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo