1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ব্যাংক খাতে লুটপাটের জন্য দায়ী ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক এপ্রমাণ করেছে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে ব্যাপক লুটপাট ও প্রতারণা ঘটেছে। বিশেষ করে ২৮টি ব্যাংকের বড় অংকের ক্ষতি হওয়ার পেছনে ছয়টি প্রভাবশালী ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠীর নাম উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন এবং নাসা গ্রুপের নাম, যারা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য দায়ী। বাংলাদেশ ব্যাংক স্বীকার করছে যে, এ সব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের অর্থ পাচার করা হয়েছে, যার ফিরিয়ে আনার জন্য এখন নিয়মিত কাজ চলছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটতে না পারে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকিং খাতে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে, যার বড় অংশ পাচার হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। মালাদেহ, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, এস আলম, সিকদার ও নাসা গ্রুপের কারণে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও অগ্রণী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শরীয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি ও আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংকও এ লুটপাটের শিকার হয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো যেমন ইউসিবি, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংকও এর বাইরে নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার পাশাপাশি ব্যাংক লুটেরাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যারা কর্মকর্তা অনিয়মে জড়িত, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা জরুরি। বিআইবিএম এর সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, একজন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কতটুকু ঋণ দিতে পারবে, কতোদিনের জন্য ঋণ নেয়া যাবে এবং কীভাবে নেওয়া উচিত—এসব নীতিমালা মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব। যদি এখন তারা এ নীতিমালা লঙ্ঘন করে থাকেন বা ওয়েভার দিয়ে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকেরও দায়ভার রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজই হলো এসব নিয়ন্ত্রণ করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নানা চাপের কারণে বিগত সরকারকালীন সময়ে তারা লুটেরাদের সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছিল। তবে এখন মূল লক্ষ্য হলো চলমান তদন্তের মাধ্যমে পাচারের টাকাগুলো ফেরত আনবে এবং শাস্তি নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এমন কাজে জড়িয়ে পড়েছেন বা বাধ্য হয়েছিলেন। সেখানে বিদেশি চাপ বা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চাপ তাদের বাধ্য করেছে—যদিও এ ধরনের পরিস্থিতিতে এফেক্টিভ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তবে খাত সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলছেন, দোষীদের বিচারের আওতায় না আনায় দেশের ব্যাংকিং খাতের আস্থা কমে যেতে পারে, যা 경제ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo