1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ

ব্যাংক লুটপাট: ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠীকে দায়ী করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পিছনে ছয়জন ব্যক্তি ও কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর দায় রয়েছে। প্রতিবেদনে নাম উল্লেখ করা হয়েছে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন ও নাসা গ্রুপের সঙ্গে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও সিকদারকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও কিছু অংশ পাচার হয়েছে, যা দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে গভীর ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ও অগ্রণী ব্যাংককে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া শরীয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক, সার্ভিস ব্যাংকগুলোর নাম—এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকসহ বেসরকারি খাতের ইউসিবি, আইএফআইসি ও ন্যাশনাল ব্যাংকও প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ আছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন বড় অঙ্কের লুটপাট দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা না করলে দেশের ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের দাবি, পাচার করা অর্থ ফিরে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল, তাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত।

বিআইবিএম-এর সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেছেন, ঋণের পরিমাণ, মেয়াদ ও আবেদন প্রক্রিয়া—সবকিছুর জন্য নীতিমালা রয়েছে। যদি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনে-শুনেই নিয়ম ভঙ্গ করে ওয়েভার দিয়ে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও তার দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে। এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজই এসব কাণ্ড-কলাপ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দোষ স্বীকার করে জানিয়েছে, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও অন্যান্য চাপের কারণে কিছু ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃতভাবে সুবিধা দিতে হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পাচার করা অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। ব্যাংকটির মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘‘কোন প্রেক্ষাপটে আমাদের কর্মকর্তারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত বা জড়িত হতে বাধ্য ছিলেন—কয়েকটি এক্সটার্নাল ফোর্স ছিল এবং কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল।’’

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিশেষজ্ঞরা আবারো জোর দিয়ে বলেছেন, তদন্ত পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ হতে হবে; দোষীদের বিচার যেন দ্রুত ও öffentlichenভাবে নিশ্চিত করা হয়। ন্যাপকৃত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা ছাড়া পুনরায় একই ধরনের দূর্নীতি রোধ করা কঠিন হবে এবং জনআস্থা ফিরে আনা যাবে না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo