1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড: শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঝড়ের আশঙ্কা: ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর সম্ভবনা ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, মোট দুর্ঘটনা ৫২৭ তথ্যমন্ত্রী: দাড়ি ও টুপি পরায় সন্দেহের চোখে দেখা হত জাতি গঠনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩৪১ পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ দিয়ে সম্মাননা দোকান মালিক সমিতি: ঈদ পর্যন্ত শপিংমল ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে

২৮ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত: বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী করছে ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংকের ক্ষতির পেছনে দায়ী রয়েছেন ছয়জন ব্যক্তি ও কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখ রয়েছে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন ও নাসা গ্রুপের নামসহ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও সিকদারের নাম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অনৈতিক সুবিধা ও লেনদেনের ফলে জনতা ও অগ্রণীসহ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক এবং বেসরকারি খাতের ইউসিবি, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের বড় অংশ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এসব অনিয়মের দিকে নজর রেখে পাচার করা অর্থ ফিরে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু টাকা ফেরানোই নয় — দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের কাণ্ড রোখা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়মে জড়িত থাকেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা জরুরি, বলেছে তারা।

বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ঋণ নেওয়া ও ঋণসীমা সম্পর্কিত নীতিমালা স্পষ্টভাবে আছে। যদি এসব নীতিমালা জানতেও কোনো সুবিধা বা ওয়েভার দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তার দায়িত্ব স্বীকার করবে। এই নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ, তাই বড় শিল্পগোষ্ঠী বা ব্যাংকগুলোর ওপর একা দায়িত্ব ছুঁড়ে দেওয়া যায় না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বিভিন্ন সময়ে বাইরে থেকে চাপ, এমনকি রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায় থেকেও প্রভাব পড়েছে; ফলে কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাধ্য হয়ে সুবিধা দিতে হয়েছে। তিনি বলেছেন, কোন প্রেক্ষাপটে কর্মকর্তারা সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বা বাধ্য হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, দোষীদের অব্যাহতভাবে খোলা ছাড় দিলে জনগণের ব্যাংকিং খাতে আস্থাহীনতা বাড়বে। তাই দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে যারা দায়িত্বহীনতা বা দুর্নীতিতে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিচার ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo