1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড: শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঝড়ের আশঙ্কা: ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর সম্ভবনা ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, মোট দুর্ঘটনা ৫২৭ তথ্যমন্ত্রী: দাড়ি ও টুপি পরায় সন্দেহের চোখে দেখা হত জাতি গঠনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩৪১ পুলিশ সদস্যকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ দিয়ে সম্মাননা দোকান মালিক সমিতি: ঈদ পর্যন্ত শপিংমল ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে

বাংলা ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের দায়ে ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ব্যাংকখাতে বড় ধরনের অর্থ লুটপাটের জন্য দায়ী রয়েছে ছয় ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী। প্রতিবেদনে তাদের মধ্যে রয়েছেন এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন ও নাসা গ্রুপের নাম। ব্যাংকটি স্বীকার করেছে যে, এসব গোষ্ঠীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং পলাতক অর্থ ফেরত আনতে কাজ চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, যত দ্রুত সম্ভব দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, কারণ ব্যাংকিং খাতে লাখ লাখ কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাৎ হয়েছে, যার একটি বড় অংশ পাচার হয়েছে। এ বিষয়ে শ্বেতপত্রে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়, সাবেক ভ‚মিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, এস আলম, সিকদার ও নাসা গ্রুপের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত অর্থ প্রতিষ্ঠান ও অগ্রণী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামি ব্যাংক, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকও এ ক্ষতির শিকার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউসিবি, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই লুটেরাদের দ্বারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাচারের টাকা দ্রুত ফিরে আনতে হবে এবং ব্যাংক লুটেরাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, একজন ব্যক্তি কতটুকু পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারে, কেমন করে ঋণ নিতে হয়, এর নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এসব নিয়ম জেনেও এদের ওয়েভার দিয়ে থাকলে এটা বড় দায়। ব্যাংকের দায়িত্ব হলো এই সব নিয়ন্ত্রণ করা। এখন প্রশ্ন হলো, ব্যাংক কীভাবে এসব দায়িত্ব পালন করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দাবি করছে, নানা চাপের কারণে প্রকৃত সময়ে ব্যাঙ্ক কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে, এবং এখন পাচারের টাকা ফিরিয়ে আনার কাজ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, কিছু এক্সটারনাল ফোর্সের কারণে বা রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ে চাপের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে, বলে রাখা জরুরি যে, খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে দেশের ব্যাংকিং খাতে আস্থা ভেঙে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo