1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

নগরে ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৬ জন গ্রেফতার, লুটের মালামাল এখনও উদ্ধার হয়নি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

নগরীর লবণচরা থানাধীন এলাকায় একই পরিবারের তিনজনের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকলেও লুটের মালামাল এখনও উদ্ধার হয়নি। সাতজন আসামির মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে; তবে হত্যাকাণ্ডের সময় লুণ্ঠিত কাগজপত্র, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা সহ অন্যান্য মালামাল এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ পরিস্থিতির মধ্যেই, অপর একজন আসামি ধরা পড়লে মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা জানিয়েছেন পুলিশের একটি সূত্র।

প্রায় পাঁচ মাস আগে, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর, নগরীর লবণচরা এলাকায় নিজ বাড়িতে একই পরিবারের তিনজন খুন হয়েছিলেন। তারা নানী মহিতুন্নেছা (৫৩), নাতি মুস্তাকিম (৮) এবং নাতনি ফাতিহা (৬)। ওই দিন, বাড়ির মুরগির খামার থেকে নিহতদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত দুই শিশুর বাবা, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজে কর্মরত সেফার আহমেদ, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শামীম শেখকে গ্রেফতার করে। স্বীকারোক্তি জ্ঞাপনের জন্য আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন শামীম, যা মামাটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। খবরের পাশাপাশি জানা যায়, শামীম শেখ বিষয়টি পুরো পরিকল্পনার নেতৃত্বে ছিলেন।

পুলিশের সূত্র বলে, শামীম শেখের সাথে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে, শামীম শেখ তাদের বাড়িতে সন্ত্রাসী পাঠিয়ে জমি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট করে। এ ঘটনায়, শামীমের বিরুদ্ধে বেশ কিছু আগে অস্ত্র ও সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে। তিনি বিদেশে পলাতক থাকাকালে, চলতি বছরের প্রথম দিকে দেশে ফিরে হত্যাকাণ্ডের পরে আবারও বিদেশে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্ত চৌকস পুলিশ তাকে ধরতে সক্ষম হয়।

অভিযোগে জানা যায়, শামীমের মূল গৃহীত কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে, জমির দলিল জালিয়াতি করে সম্পত্তি নিজের নামে নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। তিনি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত। নিহত সেফার আহমেদ জানান, জমির দলিল জাল করে নিজের নামে নেয়ার আলাপের জেরেই তার পরিবারের ওপর অমানুষিক আঘাত আসে। তিনি আরও বলেন, নিহতদের কাগজপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুটের ঘটনায় শামীমের হাত ছিল। তবে, পুলিশের মাধ্যমে এখনো লুটের মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

খুলনা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি রুহুল আমিন বলেন, এই মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলায় ছয়জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুজন আসামি—শামীম ও সালমান—অপরাধ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অপর একজন আসামিকে সনাক্ত করে খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। তবে, হত্যাকাণ্ডের সময় লুট হওয়া মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এখনো উদ্ধার সম্ভব হয়নি, তবে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo