1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

গবেষকদের নতুন বার্তা: অ্যান্ডিস স্ট্রেইন মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী এমভি হুন্ডিয়াস প্রমোদতরিতে হান্টা ভাইরাসে সংক্রমণের ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ছয়জনের দেহে হান্টা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংক্রমণের এক বিশেষ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে অ্যান্ডিস স্ট্রেইন, এবং এই ধরন মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে সক্ষম হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের লালায়ও ভাইরাস থাকায় চুম্বন, পানীয় ভাগ করে নেওয়া বা খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাশি-হাঁচি করা হলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। পরিবারে থাকা লোকদের তুলনায় যৌন সঙ্গীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় দশ গুণ বেশি হওয়া সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে।

জাহাজের কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন, দক্ষিণ আমেরিকায় পাখি দেখা চলাকালে দুই ডাচ পর্যটক ইঁদুর থেকে সংক্রমিত হয়েছিলেন এবং এরপর সেই যাত্রীদের মাধ্যমে জাহাজের অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনা থেকে ১ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা ওই জাহাজটিতে প্রায় ১৫০ আরোহী ছিলেন। পথের ঘটনা অনুযায়ী ১১ এপ্রিল একজন যাত্রী মারা যান এবং ২৪ এপ্রিল কিছু যাত্রী সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নেমে যান। বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে কর্তৃপক্ষ সেই যাত্রীদের খুঁজে বের করে সম্ভাব্য সংস্পর্শকারীদের শনাক্ত ও পরীক্ষা করার চেষ্টা করছে।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে কোভিড-১৯ এর মতো মহামারির পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে এখনও মনে করার কারণ নেই। ডব্লিউএইচওর সংবাদ সম্মেলনে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ জানান, এমভি হুন্ডিয়াসের সকলকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সন্দেহভাজন রোগীদের সংস্পর্শে থাকা বা সেবা দেওয়ার সময় আরও শক্তিশালী সুরক্ষা পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা উচিত।

তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং যাদের সংস্পর্শে এসেছে তাদের পরীক্ষা চলছে। তবে এই ভাইরাস সাধারণত খুব ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছড়ায়, এবং এর ছড়ানোর ধরণ কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জার চেয়ে আলাদা। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাহাজের মতো সরু ও ঘন জায়গায় মানুষ কাছাকাছি থাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে; এটা ভাইরাসের ক্ষমতা বেড়েছে বলেই নয়। আক্রান্তদের আলাদা করা ও কোয়ারেন্টাইন করলে এই ধরণের প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার অ্যান্ড্রু পোলার্ডও বলেছেন, এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার গতি এমন কোনো মহামারির মাত্রায় নেই। বর্তমানে করণীয় হলো দ্রুত সংস্পর্শকারীদের শনাক্ত করা, আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন রাখা এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সাধারণ মানুষ আত্মসচেতন থাকুন—কাছাকাছি মুখোমুখি যোগাযোগ কমান, অজানা বা সন্দেহভাজন অবস্থায় মাস্ক ব্যবহার করুন এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo