1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস or ক্ষতিগ্রস্ত

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান ৪০ দিনের সংঘর্ষের दौरान, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি telah হয়েছে। সৌজন্যে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে সম্প্রতি একটি বিশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এই হামলায় মূলত লক্ষ্য ছিল মার্কিন সামরিক অবকাঠামো, যার মধ্যে বিমান সংরক্ষণ কেন্দ্র, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলো। মার্কিন সরকার বা সংশ্লিষ্ট সূত্র এ ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি।

কয়েক দিন আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছিল, অন্তত ১৬টি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন ওয়াশিংটন পোস্ট জানাচ্ছে, মার্কিনী কর্মকর্তাদের মতে, কিছু লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার ফলে পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে করে অনেক সেনা সরানো ও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। সামরিক মুখপাত্ররা বলছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খুব বড় না হলেও নির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা কিছুটা জটিল। এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব ও প্রকৃতি সম্পর্কে বিশদ রিপোর্ট যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেট কংগ্রেসে ঘোষণা করেন, ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে তিনি এসবও বলেন, এই যুদ্ধের জন্য ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পরবর্তীতে পুনরুদ্ধার করতে বেশ সময় লাগবে।

অন্যদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ, পেন্টাগন, কংগ্রেসের কাছে ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার বাজেট প্রস্তাব করেছে, যা আগের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি।

২৮ ফেব্রুয়ারির দিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়। এরপর ইরান পাল্টা আক্রমণে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে উঠে। তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়, যা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাপে পড়েছে। পাশাপাশি, ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার জন্য দেশের উভয় উপকূলীয় বন্দরগুলোতে নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। এই পরিস্থিতিতে চলমান সংঘর্ষের ফলে অঞ্চলটি অপ্রতিরোধযোগ্য অস্থির হয়ে উঠেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo