1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় বুধবার রাতে গুলোধর্ষণে নিহত হন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। পুলিশের বরাতে দেশীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হৃদয়বিদারক এই ঘটনার সময় তাঁর মাথায় পরপর তিনটি গুলি নোট করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের সময় চন্দ্রনাথের গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। দুর্বৃত্তরা গাড়ির পিছু নিয়ে দোহাড়িয়ার একটি স্থানে পৌঁছালে অন্তত চারটি রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় তার সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব বেরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

চন্দ্রনাথ রথ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলেও উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বসবাস করতেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য অনুযায়ী তিনি শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের ভরসা ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন—২০১৮ সাল থেকে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন এবং শুভেন্দুর ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক সব কাজকর্ম, যোগাযোগ ও সভা-সমাবেশের তদারকি করতেন।

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় চন্দ্রনাথর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ন। এই মুহূর্তে শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থান ও দলের পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র আলোচনা—সেই প্রেক্ষাপটে তার ঘনিষ্ঠ সহকারীর ওপর এই হামলার ফলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পরিকল্পনার কথা অনেকে উল্লেখ করছেন।

ঘটনার পর দ্রুত পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। গুলিবিদ্ধ যানবাহন উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

খবর পেয়ে বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে ছুটে বেড়ান। তারা আহত এবং নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রাথমিক বিবরণ সংগ্রহ করেন; অনেকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে দ্বিতীয় দিক থেকে গুলিবর্ষণের মতো ঘটনায় জনজীবন অস্থির হয়ে পড়েছে। পুলিশ পুলিশের ওপর চাপা দেয়ার পাশাপাশি এলাকায় পর্যাপ্ত চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশির কাজ বাড়িয়েছে।

প্রসঙ্গক্রমে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতেই তদন্ত চলছে। পুলিশ সম্ভব প্রমাণ সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ, মুঠোফোন কল রেকর্ড ও সានিনদের বয়ান যাচাই করছে। ঘটনার সব দিক পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা মন্তব্য করা হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo