1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় স্থগিত পোশাক খাতের ক্রয়াদেশ, রপ্তানিতে উদ্বেগ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত করায় তৈরি পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী।

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুতের পরিস্থিতি আরও এতটা খারাপ হতে পারে—এমন আশঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক হয়ে উঠেছেন। এই শিথিলতা দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী খাতগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের চ্যালেঞ্জে ফেলে দিতে পারে।

আনোয়ার-উল আলম বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার সঙ্গে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে পৌঁছানো বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ ইতিমধ্যেই ধীরগতির হয়ে গেছে। বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো নেতিবাচক সঙ্কেত দিচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ঢাকার অফিসগুলো যতটা সম্ভব পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা নতুন অর্ডার দিতে পিছছেন। এ অবস্থায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও উৎপাদন-শিডিউলে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে।

বিসিআই সভাপতি বর্তমান কর কাঠামোকে ব্যবসাবান্ধব নয় বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মুনাফা নেই এমন সেক্টরেও কর দিতে হচ্ছে, যা অনেক প্রতিষ্ঠানকে টিকে থাকা কঠিন করে দিচ্ছে।

তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস ও রপ্তানি আয় থেকে কাটা উৎস কর কমানোর প্রস্তাব জানিয়েছেন। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এই উৎস কর কমানোর প্রস্তাব নাকচ করেছেন বলে সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান।

আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১৪৭ প্রসঙ্গে আনোয়ার-উল আলম বলেন, কর যাচাইয়ের নামে প্রতিষ্ঠানগুলোর কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে অপরিসীম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এ রকম অনিশ্চয়তা ব্যবসার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কোম্পানির ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামানোর এবং নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিল করার দাবি জানিয়েছে। ব্যবসা সংগঠনগুলো করের বোঝা বাড়ানোর বদলে ব্যবসা-সহায়ক ও সহজ কর কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।

শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো গতিশীলতা এবং প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা ও কর কাঠামো সরলীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা সতর্ক করেছেন, যদি এই দুইটি বিষয় দ্রুত সমাধান না করা যায়, তাহলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগীতামূলক শক্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo