1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় স্থগিত পোশাক খাতের ক্রয়াদেশ, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা বেড়েছে

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে বিদেশি ক্রেতারা নতুন ক্রয়ादेश স্থগিত করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই অনেক ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দিতে এখন সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

বিসিআই সভাপতির বক্তব্যে বলা হয়, এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাতগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্মেলনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ার-উল আলম জানান, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসের সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতিতে পড়েছে; কিছু বড় ক্রেতা ইতোমধ্যে নেতিবাচক শংসাপত্র দিচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতের মতো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। তিনি যোগ করেন, যদিও ক্রেতাদের স্থানীয় ঢাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা নতুন অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছু হটছেন।

বিসিআই সভাপতি বর্তমান কর কাঠামোকে ব্যবসাবান্ধব না বলে সমালোচনা করেন। তার মতে, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে ন্যূনতম ১% হারে কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা বহু প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকার সম্ভাব্যতাই ঝুকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস ও রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর আহ্বান জানান।

তবে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান উৎস কর কমানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন, এমনটাই আলোচনায় তুলে ধরা হয়। এছাড়া আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারার প্রসঙ্গে আনোয়ার-উল আলম বলেন, কর যাচাইয়ের অজুহাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অমিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং এটি ব্যবসার অনিশ্চয়তাকে বাড়িয়ে তুলছে।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দাবি করেছে কোম্পানি ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর আরোপিত উৎস কর ২০% থেকে নামিয়ে ১০% করার এবং নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিল করার। তারা বার্তা দিয়েছে, করের বোঝা বাড়ালে ব্যবসায়িক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে; পরিবর্তে ব্যবসা-সহায়ক, সহজ কর কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।

শিল্পঅবকাঠামো ও করনীতির ক্ষেত্রে জরুরি সংস্কার না করলে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করা না গেলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগীতামূলক অবস্থান আরও দুর্বল হবে বলে ব্যবসায়ীরা সতর্ক করেছেন। তারা বলেন, অবিলম্বে জ্বালানি নিশ্চয়তা ও করনীতিতে স্বচ্ছতা এনে রপ্তানিমুখী শিল্পকে সুরক্ষা দিতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo