1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

শার্শায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, ১২ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তায়

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষার অভিযোগে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী ফেলনির্ভর অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার সময়। বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র (কেন্দ্র নং-৫৩১)-এর ২০৬ নম্বর কক্ষে ওই দিন ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে এক পরীক্ষার্থী বুঝতে পারেন যে তিনি ২০২৫ সালের পুরনো সিলেবাস অনুযায়ী ছাপানো প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা দিয়েছেন, যদিও তিনি নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থীর সতর্কতার পর আরও ১১ জন শিক্ষার্থীর একই ভুল হয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এই তথ্য জানা গেলে কেন্দ্র ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৎক্ষণাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র ত্যাগ করতে বললে অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং কয়েকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করছেন—একই কক্ষের একই সময়ে একই পরীক্ষার দুটি ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে পৌঁছালো? দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র আগে যাচাই করেননি কেন? এই ভুলের দায় কে নেবে? এসব প্রশ্ন নিয়েই তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ।

অভিভাবকরাও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এমন গাফিলতির কারণে তাদের সন্তানদের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা অভিযোগের গঠনমূলক তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে হল সুপার ও সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, ‘‘একই কক্ষে ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে এলো, তা আমরা নিজেও বুঝতে পারছি না। বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডকে জানানো হবে।’’ শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেন, ‘‘ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’’

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বর্তমানে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে এবংffected শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য ক্ষতি কীভাবে নিরসন করা হবে সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সমাধান যেন নিশ্চিত করা হয়, এই দাবিতেই সমতল করছে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo