1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

ইরানে যুদ্ধ চান না সাবেক মার্কিন সেনারা, বিক্ষোভে আটক ৬০

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সেনা সদস্যরা ইরানে নতুন করে যুদ্ধের পক্ষে কোনো সমর্থন দিচ্ছেন না। এই অভিমত প্রকাশের জন্য তারা ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন কংগ্রেস ভবনের সামনে এক বিক্ষোভে অংশ নেন। সোমবারের এই কর্মসূচিতে তারা দৃঢ়ভাবে দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে যথাসম্ভব যুদ্ধ এড়াতে হবে। বিক্ষোভের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ফলে পুলিশ দ্রুত বাধ্য করে অনেককে সেখান থেকে চলে যেতে। তবে তাদের মধ্যে বেশ 일부 অবস্থান ধরে থাকায় পুলিশ তারাও ব্যাপকভাবে লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ করে। অবশেষে অন্তত ৬০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।

এবং এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয় ‘অ্যাবাউট ফেস’ নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে, যেখানে ওয়াশিংটনের ক্যানন হাউস অফিস বিল্ডিংয়ের সামনে বিভিন্ন সাবেক সেনাসদস্য কেন্দ্রীভূত ছিলেন। মূলত, তারা দাবি করেন, বর্তমান মার্কিন সরকারের যুদ্ধের নীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে কংগ্রেসের হাতে থাকা উচিত। তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের শক্তিশালী ভূমিকা থাকা জরুরি।

বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ মনে করছেন, যেনো তারা অসহায়ভাবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা স্মরণ করিয়ে দেন, ইরাক যুদ্ধের সময়ের মতোই এখন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা থাকার বৈধতা নিয়ে নানা অজুহাত ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, যা অতীতে যুদ্ধের কারণ হয়েছিল। তারা মনে করেন, দ্রুত আরেকটি রাজনৈতিক সমাধান না হলে আরও প্রাণহানি ঘটতে পারে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক সেনাসদস্যদের পাশাপাশি বর্তমানে দায়িত্বে থাকা সেনাদের পরিবারের সদস্যরাও যে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে, তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন। তারা বলছেন, এই যুদ্ধ অপ্রয়োজনীয় এবং অনেক ঝুঁকি নিয়েই চালানো হচ্ছে। তারা আশংকা প্রকাশ করেন যে, পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরও বেশি প্রাণহানি হতে পারে।

নিরাপত্তার কারণে কংগ্রেস ভবনের ভেতরে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo