1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী: জ্বালানির দাম বাড়লেও পণ্যমূল্য বড়সড়ভাবে বাড়বে না মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ২৪ ঘণ্টাও বরদাশত করব না: শিক্ষামন্ত্রী বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাস উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি: তথ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত সফরে সরকারি সেবা নিলে খরচ নিজে পরিশোধ করতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধन করলেন মেহেরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন: ন্যায়বিচার এত দয়া নয়, এটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নৌপথে ৪২% ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব লঞ্চ মালিকদের পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি সিটি ও আন্তঃজেলা বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২২ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আজ হতে পারে

ইরান সংঘাতের ৫০ দিনে তেলের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

প্রায় ৫০ দিন ধরে চলে আসা ইরান-সম্পর্কিত সংঘাত বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে বড় ধরনের ভাঙ্গন ঘটিয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। খবরটি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বৈশ্বিক পণ্য ও বাণিজ্যের লাইভ ডাটা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার ডাটা জানিয়েছে, সংকট শুরুর পর থেকে বিশ্বব্যাপী ৫০ কোটি (প্রায় ৫০০ মিলিয়ন) ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট সরবরাহ কমে গেছে। এটি আধুনিক ইতিহাসে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার অন্যতম বৃহৎ ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরিমাণ তেল দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রায় পাঁচ দিনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব ছিল। তুলনামূলকভাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক মাসের তেলের চাহিদার সমান বা ইউরোপের এক মাসের বেশিও হতে পারে।

গত মাসে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দৈনিক তেল উৎপাদন সার্বিকভাবে প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল কমে গেছে — যা বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি এক্সন মোবিলের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি একটি পরিমাণ।

আরেকটি নজরকাড়া দিক হচ্ছে জেট ফুয়েল রফতানির বড় উত্থান-পতন; সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান থেকে জেট ফুয়েল রফতানি ফেব্রুয়ারিতে মোট ছিল প্রায় ১ কোটি ৯৬ লাখ ব্যারেল; কিন্তু মার্চ ও এপ্রিল মিলিয়ে তা নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪১ লাখ ব্যারেলে।

তেলের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ধরে কেপলারের গবেষক জোহানেস রাউবল জানিয়েছেন, এই ঘাটতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দিলেও উৎপাদন ও সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। বিশেষ করে কুয়েত ও ইরাকের ভারী তেলক্ষেত্রকে পূর্ণ ক্ষমতায় ফিরিয়ে তুলতে চার থেকে পাঁচ মাস লাগতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন শোধনাগার ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো পুনরুদ্ধারে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ফিরে আসতে বছর কাটতেও পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo