1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কুইক রেন্টালে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রী ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল: ‘আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত’ এবার এলপিজির দাম বাড়ল: ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৯৪০ টাকা কুইক রেন্টালে লুটপাট ও পাচারের টাকা দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নে এফবিসিসিআইকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ: বাণিজ্যমন্ত্রী শিশু অপহরণ ও হত্যা: দুইজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে দাম বেড়েছে খুবই সামান্য: জ্বালানিমন্ত্রী একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ একদিনে দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল: ‘আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত’

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজের পদবি ও চাকরির অবস্থার ভুল বিবরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি বলেন, মামলার নথিতে তাকে ‘বরখাস্ত’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যা তিনি স্বীকার না করে বলেন, তিনি বরং একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে চলা শুনানিতে জিয়াউল এই বক্তব্য ছাড়েন। ওই দিন গুমসহ হত্যার অভিযোগের এক মামলায় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীরও উপস্থিতি ছিল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম; তিনি обвинীত দুইজনের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান, যা পরে ট্রাইব্যুনাল মঞ্জূর করেন।

শুনানির সময় জিয়াউলের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনাল থেকে অভিযোগপত্র তাঁকে হাতে দিয়ে পড়ে দেখার অনুমতি চান। নথি হাতে নিয়ে অভিযোগবিবরণী পড়ে দেখার পর জিয়াউল কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ট্রাইব্যুনালের সামনে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আমি বরখাস্ত নই, আমি অবসরপ্রাপ্ত। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরখাস্ত লেখা হচ্ছে, যা সঠিক নয়।’

এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল পক্ষ জানিয়েছে, কোনো আসামি চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে কথা বলা উচিত—আইনজীবী নিয়োগ করলে তার বদলে আইনজীবীই বক্তব্য রাখবেন এবং আসামিকে চুপ থাকা প্রত্যাশিত।

উভয় পক্ষের যুক্তি-বিবরণ শুনে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২১ জুনের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুবিধামত সময়ে প্রত্যেক আসামির এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার জানান, তাঁর মক্কেল সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে; সেহেতু ‘বরখাস্ত’ শব্দটি মেনে নেওয়া হচ্ছে না।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে তুলে নিয়ে গুমের পর হত্যা করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে এবং শুনানি চলমান আছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo