1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ফের মাইন বিস্ফোরণ: পাঁচ দিনে দুই রোহিঙ্গা যুবক পা হারালেন

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসন্নিকটে উখিয়ার পালংখালী এলাকায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ফের একটি স্থলমাইন বিস্ফোরণ ঘটে, এতে মো. ইউনুছ (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পালংখালী সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চাকমাকাটা এলাকায় ওই বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউনুছকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং কর্তৃপক্ষের এমএসএফ হাসপাতালে নেয়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শান্তনু ঘোষ জানান, ইউনুছের ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এটি ওই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া দ্বিতীয় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা। এর পাঁচ দিন আগে, গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় মো. সাদেক (২৫) নামে আরেক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতরভাবে আহত হন।

সাদেক উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবির (ক্যাম্প-১০) এফ-১৩ ব্লকের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে জেলেদের সঙ্গে মাছ ধরতে যাওয়ার পর ফেরার পথে দুর্ঘটনাবশত মাইনের ওপর পা পড়লে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সাদেকের বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয় এবং ডান পায়ের হাঁটুর নিচের অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উভয় ঘটনায় স্থানীয়রা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মাইন ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান রয়েছে বলে সতর্ক করেন। তারা দ্রুত মাইন নিষ্কাশন ও নিরাপত্তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo