1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

পহেলা বৈশাখ: সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক—প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লিখিত করেছেন। তিনি বলেন, শতবর্ষের পর শতবর্ষ ধরে এই দিনটি বারবার নতুনত্বের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে এবং পুরোনো ক্লেশ ও গ্লানি পেছনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ জাগায়।

আগামীকাল (১২ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাংলা ১৪৩২ বিদায় করে নববর্ষ ১৪৩৩ স্বাগত জানিয়েছেন।

বাণীতে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তথ্যপ্রযুক্তির সেবায় থাকা সত্ত্বেও আমাদের কৃষকরা প্রকৃতির ছন্দ মেনে ফসলের সময় নির্ধারণ করেন, যা বাংলার জীবনধারা ও অর্থনীতির মূল অংশ। হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।

প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতা-সহ ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠানগুলোকে আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য ও ঐক্যবোধের প্রদর্শনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলছেন, বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে; প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশাবাদের মিলনেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বাণীতে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মসূচি সম্পর্কেও তিনি তথ্য দিয়েছেন। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং সেই থেকে দেশবাসীর জীবনমান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার মোতাবেক ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মের धर्मগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিকে সশক্ত করতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই কৃষক কার্ড প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির প্রচলন গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করবে। বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে সুসংহত করা সময়োপযোগী ও জরুরি বলে উল্লেখ করেন।

শেষে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ওপরে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। নতুন বছরের প্রভাতে অতীতের হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo