1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপসাগরীয় বন্দরে সমুদ্র অবরোধ জারি করেছে

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

মার্কিন সামরিক বলরত্ন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, পূর্বঘোষণামতো ইরানের উপসাগরীয় এলাকার সব বন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে অবরোধ শুরু করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে এই অবরোধ কার্যকর করা হয়।

সেন্ট্রাল কমান্ড এক্স (টুইটার) পোস্টে জানিয়েছে, ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত দেশগুলোয়ের পতাকাবাহী জাহাজগুলোর ওপর এই অবরোধ আরোপ করা হচ্ছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বন্দরের দিকে যাওয়া বা ইরানের বন্দর থেকে আগমনকারী যেকোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজকে আটকানো হতে পারে, গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হতে পারে বা জব্দও করা হতে পারে।

তবে কর্তৃপক্ষ দ্রুত উল্লেখ করেছে যে এ অবরোধ তখনই প্রযোজ্য হবে যখন জাহাজগুলো সরাসরি ইরানের বন্দরকে লক্ষ্য করে; অন্য উপসাগরীয় দেশের বন্দরে গেলে সেই জাহাজগুলো অবরুদ্ধের আওতায় পড়বে না।

ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (ইরান ইন্‍‌রেভলিউশনারি গার্ড) এই ঘোষণার জবাবে সতর্কবার্তা দিয়েছে। গার্ডের এক মুখপাত্র বলেছেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, নইলে কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না। তিনি মার্কিন সিদ্ধান্তকে ‘‘অবৈধ’’ এবং ‘‘সামুদ্রিক ডাকাতি’’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

পটভূমি তুলে ধরে বলা হয়, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় এবং জানিয়েছে যে তাদের শত্রু দেশগুলোর কোনো জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি চলাচলের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট—প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি এই রুট দিয়ে সরবরাহ হয়—এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস রফতানির একটি বড় অংশ এখান থেকেই যায়।

এসব ঘোষণার পর অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনা এবং তার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আন্তর্জাতিক স্বার্থগর্ভ দেশগুলো নীরবতার বাইরে কী পদক্ষেপ নেবে কিংবা কূটনৈতিক পথে কী সমাধান খুঁজবে, তা নজরে রাখা প্রয়োজন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo