1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ব্যবসায়ীদের প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নে এফবিসিসিআইকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ: বাণিজ্যমন্ত্রী শিশু অপহরণ ও হত্যা: দুইজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে দাম বেড়েছে খুবই সামান্য: জ্বালানিমন্ত্রী একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ একদিনে দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ওসমান হাদি হত্যা: অস্ত্র বিক্রেতা মাজেদুলের দায় স্বীকার দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ: মাহদী আমিনের সরকারী অর্জন উপস্থাপন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন চুক্তিই জ্বালানি আমদানের বড় বাধা: ড. দেবপ্রিয়

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার ব্যর্থতার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার কোথাও এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে মূল্যবান ধাতুটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন শক্তিশালী ডলার এবং তেলের মূল্য বৃদ্ধিই এই পতনের প্রধান কারণ। তেলের দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতির ভাবনা জোরালো হচ্ছে, ফলে চলতি বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যায় — আর সেটা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে প্রতি আউন্সে ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের শুরুতে এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে নেমে গিয়েছিল। জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে বন্দোবস্ত হয়।

ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে দৃঢ় হয়েছে। এতে আমদানিকারী দেশগুলোর মুদ্রায় ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়েছে, যা চাহিদা ও দামের ওপর নেতিবাচক চাপ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে জয় করে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এটিও তেলের মূল্য এবং বাজারের অনিশ্চয়তা বাড়ানোর আর একটা কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘‘শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে ডলার এবং তেলের দাম বেড়েছে, যা স্বর্ণের ওপরে চাপ সৃষ্টি করেছে।’’

রয়টার্স উল্লেখ করেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১%—এর বেশি কমেছে। সাধারণত ভূরাজনীতি ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ স্বর্ণের প্রতি চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু উচ্চ সুদের হার এবং শক্তিশালী ডলার স্বর্ণের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

বাজার অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে সুদের হার বাড়ানোর পথ খুলে দিতে পারে, ফলে চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই সীমিত হয়ে পড়েছে—এটিই মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চলমান চাপের মূল কারণ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo