1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে সংসদ পাস সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

জাতীয় সংসদে নতুন সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হওয়ায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া বারোটার দিকে এই বিলটি পাস হয়। এর আগে সকাল ১১টার দিকেটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক আবার শুরু হয়। বিএনপি নির্বাচনের সময় বলেছিল যে, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা পছন্দ নয়; জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সরকারের গঠনের পর থেকে বিএনপি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়। আজ বিল পাস হওয়ায়, যতদিন পর্যন্ত নির্বাহী আদেশ পাল্টে না নবায়ন হবে, ততদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞাই বহাল থাকবে। ১৩৩টি অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হয়, যার মধ্যে ৯৮টির সংশোধন না করেই আইনে পরিণত করার উপদেশ দেওয়া হয়। এই বিলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, যা ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে দায়ের হয়। এই ধারাগুলো গত বছর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছাত্রলীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়। গত বছরের ৯ মে রাতে, এনসিপি নেতারা তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে বিভিন্ন দল এ আন্দোলনে যোগ দেয়। ১১ মে রাতে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা করে, এর ফলে যদি কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে তারা এই কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হতে পারে। একই দিনে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। যদিও সরকার সরাসরি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেনি, তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার কারণে দলটি মিছিল, সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার, ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না এবং গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে পারবে না। আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠনের এসব কার্যক্রম চালালে চার থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ডের শঙ্কা রয়েছে। তবে অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়নি, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কী শাস্তি হবে। ফলে, এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে শাস্তির বিধান ছিল না। এখন পাস হওয়া এই বিলের মাধ্যমে দলটির কার্যক্রম পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo