1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়: তিন মাসে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ স্পিকার: আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা রাজপথ, সংসদ নয়: স্পিকার ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৩৬৩১ জন উত্তীর্ণ রিমান্ড-জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন আলটিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ: স্পিকার ইরানে যুদ্ধের পরও জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, আরও আসবে এই মাসে সব জেলায় মন্ত্রিপরিষদের জরুরি নির্দেশনা: দোকানপাটের সময় এক ঘণ্টা বৃদ্ধি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষণা: এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সাওদা জামিনে মুক্ত

জিডিপি বৃদ্ধির গতি ফের ধীর, অক্টোবর–ডিসেম্বরে ৩.০৩%

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বরে) মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বৃদ্ধির হার ফের নিম্নমুখী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সংবাদমতে ওই প্রান্তিকে বৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকের ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশের তুলনায় অনেক কম। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই হার ছিল ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে শিল্প খাতেই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে — মাত্র ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। কৃষি খাতের growth ছিল ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতের growth ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। লক্ষণীয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল সবচেয়ে বেশি—৬ দশমিক ৮২ শতাংশ; এক প্রান্তিকে এ খাতে বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে খুবই কমেছে। অন্যদিকে কৃষি ও সেবা খাতে প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে বৃদ্ধির হার বেড়েছে।

পূর্ববর্তী অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ০৫ শতাংশ; এরপর প্রথম প্রান্তিকে তা বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশে উঠেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় প্রান্তিকে আবারও কমে গেল।

প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়া ও সরবরাহ বিঘ্নের কারণে দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যা শিল্প ও পরিবহন খাতে কার্যক্রম ব্যাহত করেছে। এছাড়া সূত্রে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সীমা থেকে আন্তর্জাতিক সংঘাত বৃদ্ধির পর গ্যাস ও তেলের বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়েছে, যা সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং মূল্যবৃদ্ধি এনেছে। এসব কারণ মিলিয়ে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ralent হচ্ছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো সরকারী অর্থায়নে ঘাটতি—বিগত অন্তর্বতীকালীন সরকার ও নতুন সরকারের সময়ে অর্থসংকট থাকার ফলে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর তহবিলে বাধা পড়েছে, যা পরিকল্পিত কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখতে সমস্যা তৈরি করেছে।

অবশেষে, জিডিপিতে শিল্প খাতের যে গুরুত্ব তা বিবেচনায় রেখে এ খাতের প্রবৃদ্ধি প্রয়াত হলে বছরের সমষ্টিগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শিল্প খাতের দুর্বলতা পুরো অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই শীঘ্রই অবস্থা স্থিতিশীল করে তুলতে নীতি ও বাস্তবায়নে মনোযোগ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo