1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

ইরান প্রত্যাখ্যান করলো যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, কাতারের মধ্যস্থতায় অনীহা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝেমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তেহরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল শুক্রবার ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা ফারস সরকারীয় সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার একটি তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ওই প্রস্তাবটি তেহরানের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই দাবি করেছিলেন যে ইরান নিজেই যুদ্ধবিরতির জন্য আবেদন করছে; তবে তেহরান সেই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের বক্তব্যে বলা হয়েছে তারা কোনো নতি স্বীকার করবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটিই প্রাণপণ প্রমাণ যে যুদ্ধক্ষেত্রে তারা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই না।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা একটি মধ্যস্থতা বৈঠক শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে আমেরিকার ‘অগ্রহণযোগ্য’ শর্তাবলি বজায় থাকলে তারা কোনও মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে বসবে না। ইরানের মূল দাবি-সমূহের মধ্যে রয়েছে: মধ্যপ্রাচ্য থেকে সমস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বাহিনী প্রত্যাহার, এবং এক মাসের যুদ্ধে ধ্বংস হওয়া স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষতির জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান।

তুরস্ক, মিসর ও কাতার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে, তবে এখন পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষত কাতার এই মুহূর্তে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয়ভাবে এগোতে অনীহা প্রকাশ করেছে। আমেরিকা ও অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোর চাপ থাকা সত্ত্বেও কাতার এখনও কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।

সিএনএন আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে জানায়, এক মাস ধরে চলা সংঘাতে যদিও মার্কিন ও ইসরায়েলি পক্ষ দাবি করেছে ইরানের যুদ্ধ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও কামিকাজি ড্রোন আগের মতোই সক্রিয় ও ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় রয়ে গেছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে যেতে প্রস্তুত থাকার ছক দেখাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং কড়া অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে যে ইরান বর্তমানে আলোচনার চেয়ে মাঠের লড়াকে প্রাধান্য দিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির পরও ইরানের অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo