1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মার্চে ৬১৯ নিহত, ১৫৪৮ আহত সড়ক দুর্ঘটনা: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে মার্চ মাসে মোট ৬১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত এবং ১,৫৪৮ জন আহত হয়েছেন। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগ যেখানে ১৬০টি দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগের দুর্ঘটনা সংখ্যা সবচেয়ে কম। একই সময়ে মোট ৯৭৫টি যানবাহনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১ দশমিক ৬৪ শতাংশ ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ বাস, ১৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ নছিমন-করিমন, মাহিন্দ্রা, ট্রাক্টর ও লেগুনা এবং ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ কার, জিপ ও মাইক্রোবাস।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২ দশমিক ৪৬ শতাংশ গাড়িচাপা বা ধাক্কা, ২১ দশমিক ৪২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, এছাড়া অন্যান্য কারণেও দুর্ঘটনা ঘটে। স্থান অনুযায়ী দেখা গেছে যে এসব দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ ঘটে জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ০৩ শতাংশ আঞ্চלিক মহাসড়কে, এবং ২২ দশমিক ০৭ শতাংশ ফিডার রোডে। এছাড়া ঢাকায় ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং রেলক্রসিংয়ে ০৯৭ শতাংশ দুর্ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

সংগঠনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে দুর্ঘটনার বড় কারণগুলো হলো মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশার অবাধ চলাচল, মহাসড়ক ও রেলক্রসিংয়ে সুরক্ষা সংক্রান্ত কমতি, ট্রাফিক আইন অমান্য, নির্মাণ ত্রুটি, চালকদের অদক্ষতা, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অদক্ষ চালক। এসব কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।

সংগঠনটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপন করেছে, যেমন সড়কে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্মার্ট ভাড়া ব্যবস্থা, নীতিনির্ধারণে মানোন্নয়ন, সড়ক আলোকসজ্জা, লাইসেন্সের দক্ষতা পরীক্ষা, ডিজিটাল ফিটনেস ব্যবস্থা, ট্রাফিক আইন পালন ও সড়কের উন্নয়ন। এছাড়াও ঈদযাত্রায় নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর জনসংখ্যার চাপ কমানো এবং সব পর্যায়ে ট্রাফিক নিয়মকানুন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo