1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
এপ্রিলে বঙ্গোপসাগলে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা; তীব্র কালবৈশাখী ও তাপপ্রবাহের সতর্কতা প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ বরগুনায় ফ্যামিলি কার্ড প্রতারণা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক এপ্রিল মাসে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা আরও বাড়ছে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করলেন, আমাকে নিয়ে কুৎসিত ভাষায় ওয়াজ করেছিল সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগের ঘোষণা বরগুনায় ফ্যামিলি কার্ড প্রতারণায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা বৃদ্ধি আমাকে কুৎসিত ভাষায় ওয়াজ করেছেন: রুমিন ফারহানা বিচার চান

জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঢাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও ‘জুলাই সনদ’ আদেশ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার বিকেলে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন।

আযাদ বলেন, সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে পড়েছে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান শাসনব্যবস্থা ‘ফ্যাসিবাদী পথে’ এগিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকার প্রকৃত সংস্কারকে গলাগলি দিয়ে সীমিতভাবে শুধু কিছু সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে। তাই তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালানোই ১১ দলের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হামিদুর রহমান আযাদ জানান, শনিবারের সমাবেশ বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষনেতাদের বৈঠকও করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রকাশ্যে বলেন, গণভোটের রায় প্রসঙ্গে সরকারি দলের আচরণে তারা হতবাক, আঘাতপ্রাপ্ত ও মর্মাহত।

সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল বৈঠক ত্যাগ করে। দীর্ঘ আলোচনার পর মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে ‘জুলাই সনদ’ আদেশ জারি না করা এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে মিসকোড করার অভিযোগ তুলে বিকেলে সাতটার আগেই বিরোধীরাও মঞ্চ ত্যাগ করেন।

স্পিকারের উদ্দেশে বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান জানান যে তারা প্রতিকার চাইছিলেন এবং বিষয়টি কোনো একদলীয় স্বার্থ নিয়ে নয়; নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলোর প্রয়োগের দাবি করেছিলেন তারা। কিন্তু প্রতিকার না পেলে জনগণের রায়ের যথাযথ প্রতিফলন হবে না—এই উদ্বেগ থেকেই বিরোধীদলের এই প্রতিবাদ এবং পরবর্তীকালে ওয়াকআউট।

জোটের এই ঘোষণার পর রাজধানীতে শনিবারের বিক্ষোভ কতটা বড় হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা কেমন হবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির দিক থেকে নজর রাখা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo