1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

সংবিধান সংস্কার ঘিরে বিরোধীদলের সংসদীয় ওয়াকআউট

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের সদস্যরা বিরোধ প্রকাশ করে কক্ষে ত্যাগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বানের প্রশ্নে সংসদে দীর্ঘ আলোচনা হলেও এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসেনি, তাই তারা প্রতিবাদ হিসেবে বিরতিহীনভাবে সেশন ত্যাগ করেন।

অনির্ধারিত আলোচনায় ডা. শফিকুর রহমান আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে তার পূর্বের বক্তব্য ঠিকভাবে অনুধাবন হয়নি—তবে তিনি বিশ্বাস করতে চান না যে তা ইচ্ছে করে করা হয়েছে। তিনি স্মরণ করান যে গতকালের প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল গণভোট ও সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবিত পরিষদ আহ্বান।

আলোচনার এক পর্যায়ে মন্ত্রীর এক প্রস্তাবের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর বলেন, যদি সংস্কার পরিষদকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়, আমরা সেটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব। এমন কমিটিতে সরকার ও বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য থাকলে তা অধিক কার্যকর ও ফলদায়ী হবে। আমরা সংসদে এসেছে বিদ্যমান সংকট সমাধানের জন্য—নতুন সংকট তৈরির জন্য নয়।

বিরোধীদলীয় নেতার কথ্য দাবি ছিল, এটি একটি জনগণের জীবনের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—গণভোটের মতো—যেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়ের প্রশ্ন জড়িত। তিনি স্পিকারের মাধ্যমে এর একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা আশা করেছিলেন, যা তিনি এখনও পাননি।

স্পিকার ঘটনাস্থলে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, গতকালের প্রস্তাবটি একটি মুলতবি (অ্যাজর্নমেন্ট) প্রস্তাব ছিল, যা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে গ্রহণ করা হয়েছিল। তিনি যোগ করেন যে স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এধরনের মুলতবি প্রস্তাব মাত্র তিনবার গৃহীত হয়েছে—একটি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুরের時, একটি গ্রেনেড হামলা সংক্রান্ত এবং আরেকটি নূরুল ইসলাম মণির কোস্টগার্ড সংক্রান্ত প্রস্তাব। সাধারণত বছরের পর বছর এ ধরনের প্রস্তাব দেখা যায় না।

স্পিকার আরও বলেন, যেসব সমস্যা কেবল আইনপ্রণয়নের মাধ্যমে সমাধানযোগ্য, তাদের বিষয়ে সাধারণত মুলতবি প্রস্তাব করা হয় না; তবু সংসদে প্রাণবন্ত আলোচনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিরোধী দলকে উদারভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। তিনি জানান, এ সংক্রান্ত আরও একটি নোটিস আজ বিবেচনায় আনা হবে এবং যারা কথা বলতে চান তাদের আজ বা আগামীকাল পর্যাপ্ত আলোচনা-সময়সহ সুযোগ দেয়া হবে।

স্পিকার MPs-দের স্মরণ করিয়ে দেন যে এটি জনগণের সংসদ; জাতীয় গুরুত্ব সম্পন্ন যে কোনো বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দল মিলেই আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) মেনে আলোচনা ফলপ্রসূ করার দায়িত্বও MPs-দেরই।

সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে, সংবিধান সংস্কার ও সংশ্লিষ্ট কমিটি গঠনের ওপর মতবিরোধ ও স্পষ্ট সিদ্ধান্তের অনিশ্চয়তার কারণে বিরোধী দল আজ অধিবেশন ত্যাগ করেছে; স্পিকারের আশ্বাস রয়েছে যে বিষয়টি পরবর্তী আলোচনায় উন্মুক্ত করে সমাধান খোঁজা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo