1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

কালীগঞ্জে কৃত্রিম তেল সংকট: খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ না থাকায় গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবুও স্থানীয়দের অভিযোগ, একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে অতি লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে তেল সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটির পরে কর্মস্থলে ফিরতে যাওয়া মোটরসাইকেল আরোহীরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশের অবৈধ দোকান এবং গ্রামের পাইকারি বাজার থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনতে হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তা ড্রামভর্তি অবস্থায় বাহিরে নিয়ে আসে এবং পরে বোতলে ভরে প্রতি লিটারে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে সমস্যা ছাড়াও পরিবহন খরচ বেড়েছে।

ঢাকাগামী এক মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পগুলোতে তেল নেই বলে লোকজনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করছে। এটা স্পষ্ট যে এক কুচক্রী চক্রই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা নিচ্ছে।’’

পাম্প মালিকেরা বলে থাকেন, ডিপো থেকে সরবরাহ কম আসছে—এটাই তাদের পক্ষ থেকে দায় এড়ানোর যুক্তি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের দাবি, দেশের কোথাও বাস্তবিক তেলের তীব্র সঙ্কট নেই; বরং কৃত্রিমভাবেই সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা লভ্যাংশ বাড়াচ্ছেন।

প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের ফলে পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টা ঘন্টা অপেক্ষার পর অল্প পরিমানে তেল দেওয়া হলেও অনেকে বলছেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই মেশিন বিকল বা তেল শেষ হওয়া–এই অজুহাতে আবার সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে অনেক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ছে এবং পরিবহণ পরীক্ষাহীনভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অতিরিক্ত দামে তেল কেনায় পরিবহন চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকেও বেশি ভাড়া নিচ্ছেন, যা জনভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় নীরবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক যদি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ স্থানীয়রা অপেক্ষা করছেন যে কেবল ঘোষণাই নয়—বাস্তবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo