1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা

পেট্রোল পাম্প চালু রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাইলেন মালিকরা

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাম্প মালিক ও ডিস্ট্রিবিউটররা। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে এই আবেদন জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

বার্তায় বলা হয়েছে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণে দেশি ডিপোগুলো থেকে প্রত্যাশিত মাত্রায় জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতে সরবরাহ আরও ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও তেল পাওয়ায় ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে।

একই সময়ে সাধারণ ভোক্তা ও মোটরসাইকেল চালকদের উপস্থিতি সব ফিলিং স্টেশনে বাড়ায় ভিড় ও চাপ তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে কর্মচারীদের মারধর এবং স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটার খবরও পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা, যা অন্য একটি নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় পাম্পগুলো সচল রাখতে নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে কর্মরতরা তাদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেবে।

বার্তাটির অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদেরও পাঠানো হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি পৃথক চিঠিতে জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হচ্ছে। সাধারণত একটি ট্যাংক লরির প্রতিটি চেম্বারের ধারণক্ষমতা ৪,৫০০ লিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতি চেম্বারে মাত্র ২-৩ হাজার লিটার করে তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

এর ফলে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহনব্যয় অনুন্নয়ন হচ্ছে এবং পাম্প মালিকদের আর্থিক ক্ষতির সৃষ্টি হচ্ছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অনিচ্ছুক বা অপারগতা প্রকাশ করলে সেই তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পরে কালোবাজারে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়—ফলশ্রুতিতে বাজারে অস্থিতিশীলতা ও মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিতে পারে।

সংগঠনটি ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছে। চিঠিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিতভাবে যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo