1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার (১৫ মার্চ) থেকে এই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে সংস্থাটি এবং উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় তিনি যখন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবু শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনার কারণে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলেই দুদকের তথ্য।

এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দের সঙ্গে জড়িয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রকল্পের দুর্নীতি ও প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে বরাদ্দের মিল না মেলাকে কেন্দ্র করে তদন্ত দলের দৃষ্টি সন্নিবেশ করেছে।

দুদক জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। অনুসন্ধান কমিগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করে রিপোর্ট দেবে এবং প্রয়োজনে আরও তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের এই পদক্ষেপটি বন্দর ও শিপিং খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং সম্পদের অনুকূল ব্যবহার নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বলেও সূত্ররা জানিয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া ও ফলাফল সম্পর্কে দুদক পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo