1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইমাম ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করার লক্ষ্যে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের ধর্মপ্রধানদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ওপর পাশাপাশি পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্যও সম্মানী প্রদানের কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সরকারের বরাত অনুযায়ী, এটি একটি নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

ঘোষিত নীতিমালার ভিত্তিতে মসজিদের জন্য মোট মাসিক বরাদ্দ ঢুকছে ১০ হাজার টাকা; এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়জ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের জন্য আলাদা বরাদ্দ ধার্য করা হয়েছে মাসিক ৮ হাজার টাকা—মন্দিরে পুরোহিত ৫ হাজার ও সেবায়েত ৩ হাজার টাকা; বৌদ্ধবিহারে অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা; গির্জায় যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা।

উৎসবকালীন ভাতার আয়োজনে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রধানদের জন্য উৎসব ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার টাকা করে।

সরকার প্রথম ধাপে ‘পাইলট স্কিম’ চালু করবে বলে জানানো হয়েছে এবং তা আসন্ন ঈদের আগেই শুরু হবে। পাইলটের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪,৯০৮টি মসজিদ, প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার ও ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচিত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন ধরা হয়েছে ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে নির্বাচিতদের সম্মানী ১৫ মার্চের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে ৮ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, ধাপে ধাপে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয় এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। পূর্ণমাত্রায় এটি কার্যকর হলে প্রতিবছর প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে এবং প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে চারটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

সম্মানী প্রদানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্মের নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়ন করবে; এই নীতিমালা তৈরির দায়িত্বে থাকবে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি।

সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারী ধর্মপ্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নিয়মিত সম্মানী ও প্রশিক্ষণ তাদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে এবং বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo