1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হট্টগোল, বিরোধী দলের ওয়াকআউট ছেলে আনোয়ারের হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করে সাক্ষ্য দিলেন বাবা ভাঙার ১৭ মাস পর আজ ত্রয়োদশ সংসদ; সভাপতিত্বে কে? অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল চেয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিল বাংলাদেশ মন্ত্রী ও এমপিদের চলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়ে তার ছেলে হত্যার দায় আর্থিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে থাকা কয়েকজনের ওপর চাপিয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আদালতে তিনি নিজের বিবৃতি দেন এবং ঘটনার বর্ণনা দেন।

এর আসামি তালিকায় থাকা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়; আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে গवाही দেন। ৬৫ বছরের আল আমিন একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক। তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আল আমিন বারবার কণ্ঠভঙ্গ করে পড়ে যান। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বিকেল নাগাদ ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল—পরবর্তীকালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুর-১০ এলাকার ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে গেলে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন—এমন দৃশ্য দেখে তিনি সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে শুরু করেন এবং নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন।

আল আমিন আরও জানান, হাসপাতালের মেঝেতে রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে তিনি অসুস্থ বোধ করেন; সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহ। পরে তিনি আনোয়ারের লাশ হাসপাতালে থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন ও মৃত্যুসনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে দশটায় রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা পড়ে এবং পরে আনোয়ারকে লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামটিতে দাফন করা হয়।

তিনি বলেন, ছেলের হত্যার পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনাকে দায়ী করে তিনি সংবাদমাধ্যম ও লোকমুখে শুনেছেন যে—শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীদের সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ অনেকে বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমন ও ছাত্র-জনতাকে নিধন করার সিদ্ধান্ত নেন। এই কারণেই তিনি ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ছেলের হত্যার দায় করছেন। আল আমিন ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সে ধরনের শান্তি চান।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আল আমিনকে জেরা করেন আসামি সালমান ও আনিসুলের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলাটিতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ৫ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে সময়কার প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo