1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

ছেলে আনোয়ারের হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করে সাক্ষ্য দিলেন বাবা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ছেলের হত্যার দায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের উপর চাপান বলে অভিযোগ করেছেন শহীদ আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর একক বেঞ্চের সামনে তিনি চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছিল। ৬৫ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসাশিক্ষক আল আমিন তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর মৃত্যুকথা জরাজীর্ণ ভঙ্গিতে সংসদ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার পর আনোয়ার নিহত হন।

আল আমিন জানান, ওই দিন বিকেলে ছেলের মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তিনি ও তাঁর স্ত্রী তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে লোকমুখে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুরের ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি। হাসপাতালে গিয়ে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫-২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সবাই গুলিবিদ্ধ ছিলেন। নিজের ছেলেকে শনাক্ত করার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন আল আমিন।

সাক্ষ্যলায় তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে ছেলের শরীর ও অন্যান্যদের ওপর রক্ত দেখে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার সঙ্গে আমার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহও ছিল।’ এরপর আনোয়ারের লাশ বাড়িতে নিয়ে এসে মৃত্যু সনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত এগারো-দশটার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা সম্পন্ন করে পরে তাকে লক্ষ্মীপুরে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়, বলে জানায় তিনি।

আল আমিন আরও অভিযোগ করেন যে তাঁর জানতে পেরেছি হত্যার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞান প্রণয়ন, কারফিউ আরোপ এবং অভিযান পরিকল্পনায় সাব্যস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন — প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কিত ব্যক্তিত্বদের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সড়ক-মহাসড়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। তার বক্তব্য, কারফিউ দিয়ে আন্দোলন দমন এবং ছাত্র-জনতাকে শেষ করার উদ্দেশ্যে বৈঠক করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল; এই কারণেই তিনি এসব নেতাদের ছেলের হত্যার জন্য দায়ী করছেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন সালমান ও আনিসুলের স্থায়ী আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলার ওপরের পক্ষে প্রসিকিউশনের দিক থেকে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান ও সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা। ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন হিসেবে ৫ এপ্রিল ধার্য করেছেন।

আল আমিন সাক্ষ্য শেষে ন্যায়বিচার ও এমন পুনরাবৃত্তি না ঘটার মত শান্তিকামী ভবিষ্যত চেয়ে আবেদন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo