1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর বিশেষ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য নির্ধারিত শুনানির পরে, আদালত বেনজীরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। আসামি পলাতক থাকায় তার খোঁজ নিতে এবং গ্রেপ্তার করতে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ মার্চ তারিখ ধার্য করা হয়।

অ্যাকসেসটি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বিষয়টি জানান, তিনি এই গোপনীয়তা মামলার বাদী। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্তের পর, ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর, বিষয়টি উত্থাপন করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ ঘোষণা করেন।

তদন্তে দেখা যায়, তার নামে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। তবে, হিসাব করে দেখা যায়, তার একক বা যৌথ ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থানে আয় থেকে বেশ কিছু অস্বাভাবিক সম্পদ বা বিনিয়োগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মোট আড়াই কোটি টাকারও বেশি অর্থের অস্বাভাবিক অটোবর্ণ ও সম্পদ রয়েছে, যা তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, এই অশান্তি, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বেনজীর বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, ব্যবসা ও বিনিয়োগে টাকা সরিয়ে নেন। এই অর্থের উৎস হলো অবৈধ, যা তিনি গোপন করেছেন। এর ফলে, তিনি বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ বিনিয়োগে অসাধুভাবে অর্থ স্থানান্তর করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo