1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু

ইলহান ও রাশিদাকে মার্কিন থেকে বহিষ্কার করা উচিত: ট্রাম্পের দাবি

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি নিজেকে একজন ক্ষ্যাপাটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিত, তার এই ব্যতিক্রমী আচরণ আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে। তিনি সম্প্রতি তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় বিক্ষোভের মধ্যে দুই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর ও রাশিদা তালাইবকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, এই দুই সংরক্ষিত নারী জননেতাকে ‘যেখান থেকে এসেছিলেন, সেখানেই ফেরত পাঠানো উচিত’। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজের অভিবাসননীতি এবং তার প্রশাসনের সমালোচকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিশেষ করে, তারা ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকান রাশিদা তালাইব এবং সোমালি বংশোদ্ভើতা ইলহান ট্রাম্পের ও তার প্রশাসনের অভিবাসন দমননীতির সমালোচনা করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্পের ভাষণের সময়, তিনি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলেন এবং চেয়েছিলেন যেন এই দুই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাম্প বলেন, তারা কেবল দেশটিকে ক্ষতি করতে পারে, দেশের জন্য কোনো উপকারী কাজ করতে পারে না।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার তিনি নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছিলেন, এই দুই নারী কুটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, এবং তাদের যেন অবিলম্বে আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি আরও গালাগালি করে দাবি করেন, তারা অসুস্থ, মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং কম বুদ্ধিসম্পন্ন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সময়, তার দুটি ভাষণে উল্লেখযোগ্য ছিল যখন তিনি বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধের অভয়ারণ্য’ শহরগুলো বন্ধ করা প্রয়োজন—যেখানে অভিবাসন ও কাস্টমস এজেন্সির সঙ্গে অসহযোগিতা দেখা যায়। এ সময়, ইলহান ওমর ও রাশিদা তালাইব অসহযোগিতার প্রতিবাদে চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘আপনাদের হাত দিয়ে আমেরিকানদের হত্যা করা হচ্ছে!’ এই ঘটনাগুলো আবারও স্পষ্ট করে দেয় ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন ও উত্তেজনা কতটা বেড়ে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo