1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

নেপালে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে নিহত ১৮

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধাডিং জেলার পোখারা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা করা একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশুলি নদীতে ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৬ জন। নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুই পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের খবর অনুযায়ী, সোমবার ভোরে (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি রাত আনুমানিক ১টার দিকে ধাডিং জেলার বেনিঘাট রোরাং পৌরসভা এলাকার ভৈসেপাটি এলাকার কাছ দিয়ে পার হচ্ছিলো। তখন সে প্রতিপক্ষের আনুমানিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চিনাধারা এলাকার কাছ দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে ত্রিশুলি নদীর তীরে পড়ে যায়। ফলে বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধাডিং জেলা ট্রাফিক পুলিশের প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, मृतকের সংখ্যা বর্তমানে ১৮ জনে পৌঁছেছে। তাঁদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। হাইওয়ে রেসকিউ ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান রাজকুমার থাকুরি দাবি করেছেন, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসটিতে মোট ৪৪ জন যাত্রী সান্ত্বনা পেয়েছিলেন, তবে দুর্ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি অনেকেই আহত হয়েছেন।

বাসে থাকা দুইজন নিউজিল্যান্ডের পর্যটক—একজন নারী ও একজন পুরুষ—ও এই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় সেনা, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং নেপাল পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। স্থানীয় মানুষও এতে অংশ নেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, অন্ধকার পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীর অভাবে উদ্ধার কাজের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

জেলা প্রশাসকের হিসেবে সুবেদি জানান, রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের সাহায্যে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে ত্রাণের অভাব থাকায় উদ্ধার কাজে জটিলতা সৃষ্টি হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ভয়াবह দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo