1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় ওঠার চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে: ডাঃ সৈয়দ তাহের

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো পুনরাবৃত্তিমূলক নির্বাচন যদি ঘটায়, সেসব নির্বাচন কখনই গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

ডাঃ তাহের বলেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে বা জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, সেটি শুধু তাদের জন্য দুঃস্বপ্নই হবে। জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তা পুনরায় প্রতিহত করবে এবং ঐ ধরনের শক্তিকে পতিত করবে।

তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীই একমাত্র রাজনৈতিক দল যাদের সদস্যদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ নারী এবং তাদের সংখ্যা দেড় কোটির কম নয়। দলের আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান থাকা সত্ত্বেও একমাত্র জামায়াতই তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে, বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে, সমাজে কিছু মহল অপপ্রচারের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামের নারীদের গুরুত্ব কমে দেখাতে চায়। ডাঃ তাহের বলেন, ‘‘যাদের দলে নারী সদস্য বেশি সেখানে যদি গুরুত্ব কম বলে ধরা হয়, তাহলে যে দলে নারী কম তাদের গুরুত্ব কেমন হবে—এই প্রশ্নই তাদের অপপ্রচারের বাস্তবতাকে উন্মোচিত করে।’’

নির্বাচন সামনে রেখে তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামের নারী সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয়; তারা পুরুষ কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের সাথে যোগাযোগ করছেন এবং ভোট চাচ্ছেন। দলীয় পর্যালোচনায় তাদের ধারণা, সারাদেশে নারী ভোটাররাই জামায়াতকে বেশি সমর্থন দেবেন—কারণ মহিলারা শান্তিপ্রিয় এবং বিশৃঙ্খলা বা উগ্রতাকে তারা অপছন্দ করেন।

নিজের নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামে ডাঃ তাহের বলেন, তাঁর মূল্যায়ন অনুযায়ী তিনি পুরুষের চেয়ে নারী ভোট বেশি পাবেন; পুরুষেরও সমর্থন পাবেন, তবে নারীরা কর্মে বেশি সক্রিয় এবং জয়ের দিক থেকে এগিয়ে থাকবেন। সারাদেশে নারীরা এভাবে কাজ করছেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাহের অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াতের নারী কর্মীদের তৎপরতা থেকে ভয় পাচ্ছে; তাই তারা সারাদেশে নারীদের উপর আক্রমণ ও হেনস্তা করছে এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘‘নারীরা আমাদের মা, বোন ও কন্যা—তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষাই আমাদের সকলের দায়িত্ব।’’

তিনি আরও বলেন, যারা আগে নারী অধিকার ও স্বাধীনতার কথা বলেন, তারা এখন রাজনৈতিক কারণ দেখিয়েই নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে; কাঁধে অস্ত্রধারী হামলা থেকে শুরু করে ভয়ঙ্কর হুমকিও দেয়া হচ্ছে—কিছু লোক বলেন জামায়াতকে ভোট দিলে হাত নিয়ে যেতে পারবে না, এমন ধরের হুমকি-সক্রিয়তাও আছে।

নির্বাচন কমিশনের প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দিয়ে ডাঃ তাহের বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি হওয়া উচিত একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা; কারণ অসুষ্ঠু ও পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন দেশের ভিতকে নষ্ট করবে এবং দেশের ভবিষ্যতকে অন্ধকারময় করবে।

তিনি সরকার এবং সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান—জোর করে ক্ষমতায় গেলে তার ফল আগের চেয়েও ভয়াবহ হবে। জামায়াতসহ সব দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে; তা না হলে দেশের উন্নতি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হবে এবং সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ডাঃ তাহের আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে নারী কর্মীরা আহত হয়েছেন এবং অনেকেই দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন না। কেন্দ্র দখল ও নিয়ন্ত্রণের জন্য হুমকি-ধামকি ও মারধরের ঘটনা বাড়ছে; এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষদের একটি বড় কৌশলই হচ্ছে কেন্দ্র দখল করা, কারণ তারা জানে সাধারণ ভোটে তাদের জনপ্রিয়তা কম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান আইনজীবী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo