1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

তারেক রহমানের প্রশ্ন: বিএনপি সংকটে থাকলে দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি?

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অনেকেই দেখতে পাচ্ছেন, একটি রাজনৈতিক দল এখন স্বৈরাচারী শাসকদের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাদের দাবি, বিএনপি দুর্নীতিতে শীর্ষ ছিল। তবে আমি প্রশ্ন করতে চাই, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে থাকাকালীন ওই দলের দুইজনমন্ত্রী ছিলেন। তাহলে, যদি বিএনপি এতখানি খারাপ হতো, তারা কেন তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগেও দুপুর ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

বক্তব্যের মাঝপথে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। এরপর তার গাড়িবহর গাজীপুরের দিকে রওনা দেয়।

তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করেনি কারণ তারা জানত, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছিলেন। তৎকালীন সরকারের দুই মন্ত্রীও বুঝতেন, বেগম জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানও δείছে, স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশ দুর্নীতির ভয়ংকর চক্র থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে দোষারোপ করছে, তাদের প্রথমদিক থেকে শেষ দিন পর্যন্ত দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা থেকেই বোঝা যায়, তারা আসলে মিথ্যা বলছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জু্দের নামাজ পড়ে সবাই কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়বেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোটদানই যথেষ্ট নয়, ফলাফল বুঝে নিতে হবে যেন কেউ আমাদের ভোট নিতে না পারে।

তিনি আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান এবং বলেন, ভোটের পর আবার দেখা হবে খনন কর্মসূচীতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, আমি সেদিন থাকছি।

স্লোগানে স্লোগানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানায়। তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ বলতে বলতে হাসি-উল্লাসে আঘাত করে। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ উপহার দেওয়া হয়।

তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতাউর হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহমুদুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লৎফুরজ্জামান বাবর।

বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে কার্যকরভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং আগামীদিনে তাকেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo