1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

পদ্মশ্রী ঘোষণা ঘিরে বিতর্ক: ‘গোমূত্র গবেষক’ উপাধি নিয়েই হামেশাই টানাপোড়েন

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

পদ্মশ্রী সম্মান ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে রাজনৈতিক তর্কে জড়িয়ে পড়লেন আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি. কামাকোটি। শিক্ষাবিদ ও গবেষণা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে পদ্মশ্রী দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরে সামাজিকমাধ্যমে কেরালা কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া শুরু হয়, যা পরে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়।

২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন ভি. কামাকোটি। পদ্মশ্রী পাওয়ার পর তিনি বলেন, এই সম্মান তার কাছে ‘‘ব্যক্তিগত নয়, সমষ্টিগত অর্জন’’ এবং ‘‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’’ লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে আরও যত্নসহকারে কাজ করার ঘোষণা দেন।

তবে পদ্মশ্রী ঘোষণা হতেই কেরালা কংগ্রেসের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করা হয়। ওই পোস্টে কামাকোটির গত বছরের একটি মন্তব্য টেনে ‘‘গোমূত্র গবেষণা’’-কে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার অভিনন্দন জানানো হয়। গত বছর কামাকোটি দাবি করেছিলেন গোমূত্রে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে এবং তা আইবিএস (আইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম)সহ কিছু অসুখে উপকারী হতে পারে—আর সেই মন্তব্য থেকেই তৎকালীন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।

কেরালা কংগ্রেসের কটাক্ষের জবাবে নেমে জোহো করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বু কামাকোটিকে সপোর্ট করেন। ভেম্বু লেখেন, কামাকোটি ‘‘ডিপ টেক’’ গবেষক, মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রে কাজ করেছেন এবং দেশের শীর্ষ технологий প্রতিষ্ঠানের একাংশের নেতৃত্ব দিয়েছেন—তাই তার এ সম্মান পুরোপুরি প্রাপ্য। তিনি আরও বলেন যে গোমূত্র ও গোবরের মাইক্রোবায়োম নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সম্ভাবনা আছে এবং এটিকে কেবল কিছু মনস্তাত্ত্বিক ধারণা বা ঔপনিবেশিক মনোভাব থেকে বাতিল করা চলে না।

এরপরই বিতর্ক আরও তীব্র আকার নেয়। কেরালা কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, কেন কেবল গোমূত্র ও গোবর নিয়েই গবেষণা করা হচ্ছে—অন্য প্রাণীর প্রসঙ্গ কেন তোলা হচ্ছে না। তারা মধ্যপ্রদেশে পঞ্চগব্য সংক্রান্ত একটি সরকারি অর্থায়িত গবেষণার প্রসঙ্গ টেনে আর্থিক অনিয়মেরও অভিযোগ আনে।

ঘটনাক্রমে কেরালা কংগ্রেস শ্রীধর ভেম্বুকে চ্যালেঞ্জও জানায়—যদি গোমূত্রের এত উপকারিতা সত্যিই থাকে, তাহলে একটি বিলিয়নিয়ার হিসেবে তিনি নিজে কেন তা গবেষণায় বিনিয়োগ করছেন না? যদি ক্যানসারের মতো বড় রোগে কোনো কার্যকর ফল পাওয়া যায়, তাহলে সেটাই হবে বিশ্বের কাছে ভারতের বড় অবদান, বলে যোগ করেন তাদের বক্তারা।

এই বিতর্ক শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রের সীমারেখা নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ—বিজ্ঞানী, রাজনীতিক ও সাধারণ—এ নিয়ে মত প্রকাশ করছেন।

সূত্র: দ্য ওয়াল

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo