1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের সোনালি দিনের বিশিষ্ট অভিনেতা ও কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘আজ সকালে উনার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। ঈমানদার চিকিৎসা ও নার্সিং সেবা চলছিল। সকালের দিকে নার্সরা এসে বললেন, তার সারাব্যাপী শীতলতা দেখা যাচ্ছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’’

জানা গেছে, ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত বছরের এপ্রিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন; পরে বাসাতেই চিকিৎসা চলছিল এবং চিকিৎসক-নার্সরা নিয়মিত সেবা দিয়ে আসছিলেন।

১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরিণতি তাঁকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। অভিনয়ের আগে তিনি নৃত্য পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন; পরে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।

বানিজ্যিক ও নৃত্য-ভিত্তিক অভিনয়ের মিশেলে ১৯৬০-৭০ ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ নামে সুপরিচিত ছিলেন। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে; ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে বড় পর্দায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ওই সময়কার পরিচালক মুস্তাফিজই ছবির প্রয়োজনে তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং দর্শকদের মনে নৃত্য ও একশোভিত অ্যাকশনের অদ্বিতীয় মিশ্রণ রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।

জাভেদের কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি স্বরণীয় অধ্যায় শেষ হলো। দীর্ঘদিন নিরিবিলি চিকিৎসা নেওয়া এই গুণী শিল্পীর স্মৃতিচিহ্ন দর্শক ও সহকর্মীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo