1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

মসজিদের নামে যানবাহন ও রাস্তায় চাঁদা তোলা যাবে না

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

জনগণের স্বেচ্ছাসেবায় দান, অনুদান, সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিদেশি সংস্থাগুলোর আর্থিক সহায়তায় মসজিদ নির্মাণ ও পরিচালনা সম্ভব। তবে, মসজিদের নামে যানবাহন বা রাস্তায় চাঁদা আদায় বা উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সিদ্ধান্ত সহ অন্তর্বতী সরকার গত ২১ জানুয়ারি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫’ জারি করেছে। এর পাশাপাশি বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবৈধ স্থানে মসজিদ নির্মাণ হলে তা উচ্ছেদ করা হবে, এবং যারা অবৈধভাবে নির্মাণ করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০২৪ সালের ২৬ জানুয়ারি অষ্টম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনের মধ্যে এক জরুরি নোটিশের প্রেক্ষিতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেন, যাতে দেশের মসজিদ ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়। গেজেটের মাধ্যমে ২১ জানুয়ারি এটি প্রকাশিত হয়।নীতিমালার মধ্যে বলা হয়েছে, ‘শরিয়াহ্ সম্মত স্থান’ এবং ওয়াকফ, দান, ক্রয়কৃত বা আইনসিদ্ধ জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। এই নিয়ম লঙ্ঘিত হলে, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবৈধ স্থানে নির্মিত মসজিদ উচ্ছেদ করতে পারবে। এছাড়া, শরিয়াহ্-সম্মত স্থান বা ওয়াকফ, দান বা কেনাকৃত সম্পত্তি ছাড়া অন্যান্য স্থানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি নেই।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ স্থানে নির্মিত মসজিদগুলো উচ্ছেদের জন্য সরকারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, নারীদের জন্য আলাদা সালাতের স্থান থাকাও অনুমোদিত, যেখানে নারীরা স্থান করে সালাত আদায় করতে পারবেন।প্রতিষ্ঠান বা মসজিদ পরিচালনা কমিটি তিন বছর মেয়াদে নির্বাচন হবে, তবে প্রয়োজনে এক বছর বেশি করা যেতে পারে। এই কমিটিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব থাকবে মুসল্লিদের ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিদের।মসজিদে কর্মরত ইমাম-খতিবরা বিভিন্ন ধরনের বেতন-ভাতা পাবেন ধরন ও গ্রেড অনুযায়ী, যা সরকার নির্ধারিত জাতীয় বেতন স্কেলের ভিত্তিতে। এছাড়া, আর্থিকভাবে দুর্বল বা পাঞ্জেগানা মসজিদগুলো তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন।তবে অবৈধ জায়গায় মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন। তিনি জানান, অবৈধভাবে নির্মিত মসজিদ উচ্ছেদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সরকারি বা বেসরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে স্থান নির্ধারণ করে নিতে হবে, যেন সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও সমস্যা না সৃষ্টি হয়।কর্মকর্তারা মনে করেন, অবৈধ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ বন্ধ করে সামাজিক শান্তি ও নিয়মানুবর্তিতা নিশ্চিত করা জরুরি, যা এই নীতিমালার মূল অঙ্গীকার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo