1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের স্বীকৃত অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। সনির ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন।

১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্ম গ্রহণ করেন রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস, যাকে পরবর্তীতে চলচ্চিত্রজগৎকে পরিচিত করেন ইলিয়াস জাভেদ নামে। শৈশবে তার পরিবার পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরবর্তী সময়ে অভিনয় জীবনের কারণে তিনি ঢাকায় স্থায়ী হন।

জানানো হয়, ক্যান্সারের পাশাপাশি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত বছরের এপ্রিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে-বাসার মিশ্র চিকিৎসাসেবা চলছিল। স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে; দুজন নার্স এসে জানান, শরীর ঠান্ডা থাকায় দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্র জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় ছিল। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়কের ভূমিকায় রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে। তবে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন; এই কাজেই শাবানার সঙ্গে জুটিবন্ধনে দর্শক হৃদয়ে বিশেষ স্থান করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে চলচ্চিত্রে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

প্রাথমিকভাবে নৃত্যপরিচালনার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করা জাভেদ পরে নায়কের ভূমিকায় উঠে এসে শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকের দর্শকদের কাছে তিনি ছিলেন নৃত্য ও অ্যাকশনের মিশেলে এক মার্কসধর্মী পারফর্মার — তাই তাঁকে ‘ড্যান্সিং হিরো’ বলা হতো।

ব্যক্তিগত জীবনেও ইলিয়াস জাভেদ একজন পরিচিত নাম; ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ইলিয়াস জাভেদের কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’।

তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক স্বতন্ত্র অধ্যায় বন্ধ হলো; দীর্ঘদিন গোপনে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী। চলচ্চিত্রভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo