1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের সোনালী যুগের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। বহুদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যু সংবাদটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন জাভেদ। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে বসবাস করলেও পরবর্তীতে তাঁর কলাকৌশল ও প্রতিভা তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি এবং নানা রকম শারীরিক জটিলতাও ছিল। গত বছরের এপ্রিল মাসেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সংবাদমাধ্যমকে জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়। গত কিছুদিন ধরে বাসায় রেখে চিকিৎসা চলছিল; হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে দেখাশোনা করছিলেন। ওই সকালে নার্সরা প্রথমে তাঁর শরীর ঠাণ্ডা লক্ষ্য করেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাভেদের অভিনয়জীবন শুরু হয় নৃত্যনির্দেশক হিসেবে; পরে নায়ক হিসেবে সুবাখ্যাতি পান। ১৯৬৪ সালে উর্দু ছবিতে (নয়ি জিন্দেগি) নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার সঙ্গে কাজ করে তিনি বহুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন করান। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

রূপালি পর্দায় তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস; ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল জোরাল নাচ ও অ্যাকশনের অনবদ্য মিশ্রণ। তার প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

জাভেদের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

ইলিয়াস জাভেদের শিল্পীজীবন ও নৃত্যশৈলীর স্মৃতি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo