1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করাচির ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় এখনও নিখোঁজের সংখ্যা বিপুল। গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার এই দুর্যোগের শুরু হয়, যেখানে প্রথম আগুন লাগে প্লাজার বেসমেন্টে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো পাঁচ তলায়। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।

১৯৮০ সালে নির্মিত এই শপিং কমপ্লেক্সটির বিশাল আকার, যা একটি ফুটবল মাঠের থেকেও বড়। এখানে রয়েছে ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান, কিন্তু আগুনে অধিকাংশ দোকান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ধরণের বড় অগ্নিকাণ্ড এর আগে করাচিতে ঘটেনি।

অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে বেশিরভাগই দোকানের মালিক ও কর্মচারী, যারা মরদেহ উদ্ধারের পর ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় এখন মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছায়, তবে নিখোঁজের সংখ্যা এখনো ৪০ জনের বেশি। উদ্ধারকার্য চলাকালে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে নতুন করে ১৫ জনের পরিচয় জানা গেছে। নিখোঁজের সংখ্যার সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা এভাবেই দ্রুত বাড়ছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুল প্লাজার মোট ২৬টি গেট ছিল, তবে এর মধ্যে ২৪টি সবসময় বন্ধ থাকত, যার কারণে অগ্নিকাণ্ডের সময় শত শত মানুষ আটকা পড়েছিলেন। মার্কেটের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল অনুপযুক্ত ও নষ্ট, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।

তদন্তে জানা গেছে, আগুন লাগার পর দোকানগুলো শাটার বন্ধ করে দিয়েছিল, যা তাদের প্রাণহানির কারণ বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। সিন্ধি সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যারা এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই ঘটনাটি করাচির ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড হিসেবে রেকর্ড হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo