1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন ইলিয়াস জাভেদ। পরবর্তীতে পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরমপ্রেমে চলচ্চিত্রের দিকে পা বাড়ান—and শেষ পর্যন্ত জীবন কাটে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। দীর্ঘ সময় ধরে ক্যান্সারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি; গত বছরের এপ্রিলে একবার হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসাধীন ছিলেন।

জাভেদের স্ত্রী দলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ সকালেই তাঁর স্বামীর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। তারা কয়েক দিন ধরে বাসাতেই চিকিৎসা চালাচ্ছিলেন; হাসপাতালে থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স এসে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন। আজ সকালে দুজন নার্স এসে জানান, তাঁর সারা শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিল্পী হিসেবে ইলিয়াস জাভেদের যাত্রা শুরু হয়েছিল নৃত্যপরিচালক হিসেবে; পরে অভিনয় করেই তিনি দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে প্রথমবার রুপালি পর্দায় আবির্ভূত হন তিনি। কিন্তু প্রকৃত প্রতিষ্ঠা পান ১৯৬৬ সালের ছবী ‘পায়েল’ দিয়ে, যেখানে শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই পরবর্তীতে তাকে ‘জাভেদ’ নামেই পরিচিত করেন।

একগুচ্ছ ব্যবসাসফল ছবি এবং ঝলমলে নাচের হাতখড়ি দিয়ে ৭০-৮০ দশকের দর্শকদের কাছে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে নায়িকা দলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস—পেশায় তিনি নৃত্যপরিচালনা থেকেই ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং পরে নায়ক হিসেবে শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেন।

জাভেদের উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্তশপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

ইলিয়াস জাভেদের প্রস্থান বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য এক দুঃখজনক অধ্যায়বন্দি—একসময় পর্দা কাঁপানো নাচ ও অ্যাকশনের এক অবিস্মরণীয় মিশ্রণ আজ স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেল। দীর্ঘ সময় নীরবে চিকিৎসা নেয়ার পরও শেষপর্যন্ত তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo