1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের স্বরেরা দিনগুলোর জনপ্রিয় নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। পরিবার ও নিকটজনের বরাত দিয়ে জানা যায়, গতমাসগুলো জুড়ে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত বছরের এপ্রিলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছুদিন ধরে বাসায় রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল; নিয়মিত চিকিৎসক ও দুজন নার্স বাড়ি এসে তার সেবা করছিলেন। আজ সকালে নার্সরা শ্বাস-শব্দ না পেয়ে জানান যে তাঁর শরীর ঠাণ্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়রে জন্মগ্রহণ করেন। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরবর্তীতে ঘরছাড়া হয়ে চলচ্চিত্রের ডাক পেয়ে ঢাকায় এসে স্থায়ী হয়েছিলেন। অভিনয়জীবনের শুরুটা তিনি নৃত্যপরিচালক হিসেবে করেছিলেন; পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় ওঠেন। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।

নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ থেকে। কিন্তু সবার নজর কাড়েন ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমায়, যেখানে কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানার বিপরীতে তিনি অভিনয় করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিতি দেন। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে নাচ ও অভিনয়ের অনবদ্য মিশ্রণে দর্শকদের মনে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে জায়গা করে নেন।

ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিখ্যাত চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চলচ্চিত্রে তিনি শতাধিক বস্তুনিষ্ঠ কাজ রেখে গেছেন; তার গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবনসঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’ প্রভৃতি।

ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রে এক যুগের ছাপ রেখে গেল। দীর্ঘসংগ্রামের পর নিভৃতভাবে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী; তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য আপূরনীয় ক্ষতি। পরিবার ও অনুরাগীদের কাছে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo