1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬%

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪.৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এটি আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৬.১ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই তথ্যটি বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রোসপেক্টস’ জানুয়ারি সংস্করণে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মানুষের ভোগের ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকায় দেশের অর্থনীতি সুগঠিত হয়ে উঠবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে যদি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে যাবে। এই সময়ে নতুন সরকার প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার কার্যকর করতে পারবে, যা শিল্পখাতের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। এই চিত্রের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে, প্রতিবেদনটি কিছু ঝুঁকি যুক্ত করেছে। একটি মূল ঝুঁকি হলো— বাংলাদেশে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি থাকা। এটি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করার কারণে ঋণের প্রবাহ কমে গেছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, সরকারি খরচ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের উন্নতি এসব ঝুঁকিকে মোকাবেলা করায় দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্লেষকদের মতে, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখাবে ভুটান (৭.৩%)। অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— ভারত (৬.৫%), বাংলাদেশ (৪.৬%), মালদ্বীপ (৩.৯%), শ্রীলঙ্কা (৩.৫%) এবং নেপাল (২.১%)। এর মধ্যে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধির প্রারম্ভিক তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

অপর দিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধির মৌসুমি হিসাব প্রকাশ করেছে। এই তিন মাসে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ২.৫৮ শতাংশের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বিশ্বব্যাংক ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্রমশ কমে গিয়ে প্রবৃদ্ধি হবে ২.৬ শতাংশ, এরপর ২০২৭ সালে তা ২.৭ শতাংশে পৌঁছাবে। তবে, সে সময় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি কমে ২.৬ শতাংশে নামতে পারে। পাশাপাশি, আগামী দশকে প্রায় ১২০ কোটির বেশি তরুণ কর্মক্ষম জনশক্তি বাজারে প্রবেশ করবে। এই যুব সমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, টেকসই মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo