1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন ও পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, এ বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের দুজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলবার্ট গোম্বিস ও মার্স ট্যানের সাথে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সময়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ভুয়া খবর ও পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হলেও সরকারের প্রতিশ্রুতি অটুট থাকবে। তিনি বলেন, নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। নির্বাচনকালীন সময়ে সর্বস্তরের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে ও একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তুলবে অঙ্গীকার করে তিনি আরও বলেন, ফলাফল ঘোষণা শেষে ক্ষমতা শান্তিপূর্ণভাবে হস্তান্তর হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।

তিনি জানান, ‘কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়। নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে; একদিনও আগে বা পরে নয়।’ একইসাথে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোট প্রদান হবে বেশ উৎসবমুখর ও সুন্দর পরিবেশে।

সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট আলবার্ট গোম্বিস এবং সাবেক অ্যাম্বাসাডর-অ্যাট-লার্জ মার্স ট্যান এখন বাংলাদেশে সফর করছেন এবং প্রায় এক ঘণ্টাজনক বৈঠকে তারা আসন্ন নির্বাচন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও এর পরবর্তী পরিস্থিতি, তরুণ আন্দোলন, ভুয়া খবর ও মিসইনফরমেশন, রোহিঙ্গা সংকট এবং নির্বাচনের পরের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও, তারা ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ভবিষ্যতে গঠনমূলক ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন সম্ভব হবে যদি অপরাধীরা তাদের ভুল স্বীকার করে, অনুশোচনা প্রকাশ করে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই এই স্বীকারোক্তি করেনি, বরং বর্বরোচিত অপরাধের জন্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সমর্থকেরা নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ভুয়া খবর ও অপতথ্য ছড়াচ্ছে। জনগণ সচেতন হয়ে পড়ছে, এবং প্রযুক্তির উন্নতির ফলে তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও চিনতে পারছে।’

গোড়া থেকে প্রচারিত এটি গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে গোম্বিস বলেন, ‘ভুয়া খবর বিশ্বে গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শত্রু। এ হুমকি মোকাবেলায় আরও জোরালো উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন।’

অতিথিরা সরকারের ভূমিকা, নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রফেসর ইউনূস জানান, দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের আদলে বাংলাদেশে বর্তমানে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভবনা খুবই কম, কারণ এখনও অনেক অপরাধী নিজের ভুল স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, ‘সময় এখনো আসেনি। ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের জন্য প্রয়োজন হয় অপরাধের স্বীকারোক্তি এবং অনুশোचन।’ তিনি উপসংহার তুলে বলেন, ‘অধিকাংশ অপরাধী এখনও সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বসে আছেন, যা দেশের জন্য খুবই দুঃখজনক।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo