1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে উসমান খাজার বিদায় অনুষ্ঠান ছিল আবেগপ্রবণ ও স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তার এই শেষ টেস্টে দর্শকেরা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি, đặcově তার স্ত্রীর চোখেও বিন্দু বিন্দু অশ্রু ঝরে পড়ে। ক্যামেরায় ধরা সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সকলের হৃদয় স্পর্শ করে। ফুটে ওঠে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে থাকা এক ক্রিকেটারের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং প্রেমের গল্প।

খেলার শেষ ইনিংসের শুরু ছিল আশাব্যঞ্জক। উইল জ্যাকসের ঘূর্ণি বলের ওপর দিয়ে সুন্দর একটি ফ্লিক করে চার মারেন খাজা, রানের খাতা খোলার জন্য। কিন্তু এরপর খুব বেশি দূর যায়নি গল্প। জশ টাংয়ের বলের চপ ডাইন হয়ে তিনি মাত্র ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকরা তাকে সম্মান ও ভালবাসা জানাতে কুপোকাত ছিলেন। দাঁড়িয়ে করতালিতে ভাসিয়ে দেন তাঁকে। মাঠে হাঁটু গেড়ে চুমু খান ও ধন্যবাদ জানান সৃষ্টিকর্তাকে। বিদায়ের মুহূর্তে স্টেডিয়াম ভেসে ওঠে আবেগে। গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা র‌্যাচেল খাজার চোখের জলও ঝরতে দেখা যায়।

খেলা শেষে নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসের অনুভূতি প্রকাশ করেন খাজা। হতাশা, কৃতজ্ঞতা ও প্রেমের মিশ্র ভাষায় তিনি বলেন, “চপড অন হওয়ার কারণে একটু বিরক্তি হয়েছিল। সবসময় রূপকথার মতো শেষ হয় না। তবে কিছুক্ষণ পরে সেটা ভুলে গেলাম। তখন আমি তাকালাম র‌্যাচেলের দিকে ও ওর সাথে কিছু মুহূর্ত ভাগ করলাম। পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ওদের দিকে চুমু দিয়ে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

স্ত্রীর অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, “ও না থাকলে আমি আজ এখানে থাকতাম না। মানসিক, আবেগিক ও ব্যক্তিগতভাবে ও আমার সবচেয়ে বড় ভরসা। এই শেষবার মাঠ ছাড়ার মুহূর্তে ওর কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সবচেয়ে স্পেশাল মুহূর্ত ছিল এটি।” ৩৯ বছর বয়সী খাজা তার টেস্ট ক্যারিয়ার ৬,২২৯ রান করে শেষ করেছেন, গড় ৪৩.২৫। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি আছেন ১৪ নম্বরে।

সিডনি মাঠে ক্যারিয়ার শেষ করার মধ্যে দিয়ে তার জন্য ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। এই মাঠই ছিল তার টেস্ট অভিষেকের স্থান, ২০১০-১১ অ্যাশেজ সিরিজে। ঐ ম্যাচে তিনি প্রথম ইনিংসে ৩৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ রান করেছিলেন। তার শান্ত, ধীরস্থির ব্যাটিং style পরবর্তীতে তার পরিচয় হয়ে ওঠে। ইসলামাবাদে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার ছোটবেলায় পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়, যেখানে তিনি হয়ে ওঠেন অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তান-জন্ম নেওয়া ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৮৮টি টেস্টে ১৬টি সেঞ্চুরিসহ তিনি ছিলেন দলের মূল ভরসা। পাশাপাশি খেলেছেন ৪০টি ওয়ানডে ও ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। মাঠের বাইরের জীবনেও তার আধ্যাত্মিকতা এবং ক্রিকেটে অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo