1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

দিপু হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে ইয়াছিন ঢাকায় গ্রেফতার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানা শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে এবং আগুন দিয়ে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে থাকতেন ইয়াছিন আরাফাত। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল, এবং অবশেষে পুলিশ তাকে রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে।

গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশ একটি প্রেস বিবৃতিতে এর সত্যতা নিশ্চিত করে।

ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপন করেন। তদন্তে জানা গেছে, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

১৮ ডিসেম্বর তিনি পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটের সামনে স্লোগান দিয়ে জনসমাগমের আয়োজন করেছিলেন। এই উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে দীপুকে নির্মমভাবে মারধর ও তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন তিনি। হত্যার পর, তার দেহটি রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে মরদেহ পোড়ানোর জন্য নেতৃত্ব দেন ইয়াছিন।

পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, ইয়াছিন আরাফাত এখনও ভালুকার স্থায়ী বাসিন্দা। তবে,গত ১৮ মাস থেকে তিনি উপজেলার কাশর এলাকার শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পলাতক থাকা এই সময়ের মধ্যে ঢাকার ডেমরা অঞ্চলের বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান নেন এবং নিজেকে পরিচয় গোপন করতে ‘সুফফা মাদ্রাসা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে শিক্ষকতা শুরু করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo